তবে তার জন্য অনেক সমীকরণ মেলাতে হবে পাকিস্তানকে। শুধু নিজেদের জয় নয়,বাবর আজমদের তাকিয়ে থাকতে হবে অন্য দলের জয় ও পরাজয়ের দিকেও।
বাংলাদেশকে হারানোয় পয়েন্ট তালিকায় পাঁচ নম্বরে উঠে এসেছে পাকিস্তান। ৭ ম্যাচে তাদের পয়েন্ট ৬। নেট রানরেট -০.০২৪। পাকিস্তানের বাকি দুই ম্যাচ নিউজিল্যান্ড ও ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে। সেই দু’টি ম্যাচ জিতলে সর্বোচ্চ ১০ পয়েন্টে যেতে পারবেন বাবররা।
.png)
পাকিস্তানের ওপরে রয়েছে ভারত, দক্ষিণ আফ্রিকা, নিউজিল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়া। ভারত ও দক্ষিণ আফ্রিকা পাকিস্তানের থেকে অনেকটা এগিয়ে। অর্থাৎ, পাকিস্তানকে সেমিফাইনালে যেতে হলে নিউজিল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যে একটি দলকে হারতে হবে।
পাকিস্তানের একটি ম্যাচ রয়েছে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে। যেহেতু পাকিস্তানের সঙ্গে নিউজিল্যান্ডের খেলা বাকি তাই তারা হারলেই বেশি সুবিধা বাবর-রিজওয়ানদের। পাকিস্তানকে আটকানোর ক্ষমতা রয়েছে আফগানিস্তান ও শ্রীলংকারও। তাই তাদেরও হারতে হবে।
দক্ষিণ আফ্রিকা ও শ্রীলংকার বিপক্ষেও খেলবে কিউইরা। সেই তিনটি ম্যাচ তারা হারলে নিউজিল্যান্ডের পয়েন্ট হবে ৮। আফগানিস্তানের খেলা আছে নেদারল্যান্ডস, অস্ট্রেলিয়া ও দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে। অস্ট্রেলিয়া ও দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে রশিদ খানরা হারলে আফগানিস্তানের পয়েন্ট হবে ৮।
শ্রীলংকার খেলা রয়েছে ভারত, বাংলাদেশ ও নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে। এরমধ্যে একটি খেলায় হারলেই সর্বোচ্চ ৮ পয়েন্টের বেশি যেতে পারবে না শ্রীলঙ্কা। সে ক্ষেত্রে ভারত, দক্ষিণ আফ্রিকা ও অস্ট্রেলিয়ার পরে চতুর্থ দল হিসাবে বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে যাবে পাকিস্তান।