আর্জেন্টিনায় তরুণ ফুটবলারকে জখমের অভিযোগ
বিশ্বে লাতিন আমেরিকা ফুটবলের কদরটা একটু বেশিই। যেখানে ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনা বেশ প্রভাব বিস্তার করে। তবে ইদানিং দেশ দুটির ফুটবল যেন একটু সহিংস হয়ে উঠেছে।
২০২৬ বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে ব্রাজিল-আর্জেন্টিনার ম্যাচ শুরুর আগে স্টেডিয়ামে ছড়িয়ে পড়ে সহিংসতা। পরে অবশ্য বিষয়টি স্বাভাবিক হলে ম্যাচটি সম্পন্ন হয়। মারাকানা কাণ্ডের পর ব্রাজিলিয়ান ক্লাব সান্তোসের অবনমনের পর সেই শহরে (সান্তোস) আবারো দাঙ্গা বাধে।
এবার আর্জেন্টিনায় স্থানীয় এক ফুটবল ম্যাচে তরুণ ফুটবলারকে বাজেভাবে জখমের খবর পাওয়া গেছে। যে ফুটবলারকে তার পরিবার তুলনা করেছেন লিওনেল মেসির সঙ্গে।
আর্জেন্টিনার স্থানীয় সংবাদমাধ্যমে জানা গেছে, আর্জেন্টিনার মিশনস প্রদেশে রেমিগিও আর্মোয়া নামে এক রেফারির সঙ্গে ঝগড়াঝাটির পর তাকে (আর্মোয়া) ঘিরে ধরে। কথাকাটির এক পর্যায়ে রেফারি ছুরি বের করে এক ফুটবলারের বুকে ছুরি বসিয়ে দেন। ঘটনাস্থলেই ফুটবলার জ্ঞান হারান এবং সতীর্থরা তাঁকে মাঠ থেকে উঠিয়ে নেন।
স্থানীয় সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, জখমের শিকার হওয়া ফুটবলারের নাম কেভিন এ। তার ফুসফুস ছিদ্র হয়ে গেছে। তবে মেডিকেল টিম যথাসময়ে ব্যবস্থা নেয়ায় ফুটবলার এখন আশংকামুক্ত।
সংবাদমাধ্যমকে কেভিনের চাচা বলেন, ‘কেভিন অবিশ্বাস্যভাবে বেঁচে গেছে। পরিবারের কাছে এটা খুশির খবর। কারণ সে পরিবারের মেসি। সে ফুটবলের জন্য ভালোভাবে তৈরি। সৃষ্টিকর্তাকে ধন্যবাদ সে চাচারিতা ক্লাবে খেলার সুযোগ পেয়েছে।’
এ ঘটনায় রেফারি আর্মোয়া পালানোর চেষ্টা করলেও স্থানীয় পুলিশ তাকে গ্রেফতার করেন। ছুরিকাঘাতে ব্যবহৃত ছুরিও পুলিশ উদ্ধার করেছেন। তার (আর্মোয়া) হাতে হাতকড়া পড়ানো ছবি এরপর ভাইরাল হয়েছে। আর্জেন্টিনা পুলিশ ঘটনার তদন্ত করছে।