এদিকে দলগুলো অবস্থা পুরোপুরি শুরু না হলেও বিপিএল সংশ্লিষ্ট সবার ব্যস্ততা চরমে। কেননা বিপিএল এলেই নানা বিষয় নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়। সেই তালিকায় সবার উপরে মিরপুরের উইকেট।
টুর্নামেন্টের বেশিরভাগ সময় মিরপুরের মন্থর উইকেটটি হয়ে পড়ে বোলারদের সহায়ক। ব্যাটাররা স্ট্রোক খেলতে গেলেই পড়েন বিপদে। তবে এবার ভিন্ন কিছুর আশা করছেন বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের নির্বাচকরা।
.png)
হোম অব ক্রিকেটের উইকেট নিয়ে বেশ কয়েকদিন ধরেই কাজ করছে বিসিবির গ্রাউন্ডস কমিটি। এরই মধ্যে চেয়ারম্যান মাহবুব আনামের নেতৃত্বে কয়েকটি সভাও হতে দেখা যায়। মিরপুরের প্রধান কিউরেটর গামিনি ডি সিলভাকে নিয়ে তিন নির্বাচক উইকেট খতিয়ে দেখেন। বিপিএলে যেহেতু সবচেয়ে বেশি ম্যাচ হয় মিরপুরেই, কয়েক ম্যাচ পর এখানে উইকেট হয়ে পড়ে চ্যালেঞ্জিং।
বিপিএলের উইকেট নিয়ে বিসিবি নির্বাচক হাবিবুল বাশার সুমন বলেন, ‘টি-২০তে আমরা সব সময় এমন উইকেট চাই যেখানে রান হবে, ব্যাটাররা শট খেলতে পারবে। এবার তেমনও চাইছি। এই উইকেট বানাতে পর্যাপ্ত সময় ছিলো। আশা করছি ভালো উইকেট হবে। মাঠ যেতে বিশ্রাম পেয়েছে আশা করছি ভালো ক্রিকেট হবে।’
আসন্ন টুর্নামেন্টে প্রতিদিনই দুটি করে ম্যাচ হবে। হাবিবুলের শঙ্কা দিন গড়ালে দিনের শেষ ম্যাচের জন্য উইকেটে পড়তে পারে প্রভাব, ‘সমস্যা হচ্ছে দিনের শেষ খেলাটা শেষ হবে রাত ১০টায়। পরের দিন দুপুরে আবার ম্যাচ। শিশির থেকে শুকাতে উইকেট পর্যাপ্ত সময় পাবে না।’