নিজেদের সবশেষ ম্যাচে চট্টগ্রামের কাছে ৬৫ রানে হেরে খুলনা অধিনায়ক এনামুলের কণ্ঠে ফুটে উঠে রাজ্যের হতাশা। শেষ ৭ ম্যাচে পেয়েছেন মোটে ১ জয়। হাতে আরো এক ম্যাচ বাকি।
খুলনার পরের ম্যাচে প্রতিপক্ষ সিলেট স্ট্রাইকার্স। অপেক্ষাকৃত এই দুর্বল দলকে পেয়েছে বলেই কিনা, কিছুটা স্বপ্ন অন্তত দেখতেই পারে তালহা জুবায়ের শিষ্যরা।
.png)
যদিও রানরেট তাদের খুব একটা সঙ্গ দিচ্ছে না। আর প্লে-অফে ওঠার ক্ষেত্রে বরিশাল ম্যাচের দিকেও নজর রাখতে হবে। বরিশাল হারলে আর নিজেরা জিতলেই কেবল কিছুটা আশা করতে পারে খুলনা।
লিগ পর্বে ১১ ম্যাচ খেলে ছয়টিতে জয় পেয়েছে বরিশাল। এতে মোট ১২ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের চারে রয়েছে তামিম ইকবালের দল। লিগ পর্বের শেষ ম্যাচে শক্তিশালী কুমিল্লার বিপক্ষে মাঠে নামবে বরিশাল। এই
ম্যাচে জয় পেলে কোনো সমীকরণই বরিশালকে প্লে-অফ খেলতে আটকাতে পারবে না। কিন্তু হেরে গেলে তাকিয়ে থাকতে হবে খুলনা-সিলেট স্ট্রাইকার্সের ম্যাচের দিকে।
আসরে ১১ ম্যাচে পাঁচটিতে জয় পেয়েছে খুলনা টাইগার্স। ১০ পয়েন্ট নিয়ে বরিশালের পরেই রয়েছে বিজয়ের দল। লিগ পর্বের শেষ দিনে কুমিল্লার কাছে বরিশাল যেনো বড় ব্যবধানে হারে সেই কামনা করবে বিজয়-আফিফরা। কেননা বরিশালের নেট রান রেট +.৪৩৪। আর খুলনার নেট রানরেট -.৪০০।
প্লে-অফে যেতে পয়েন্ট সমান করার পর রানরেটেও বরিশালকে টপকাতে হবে খুলনার। তবে সেটা বেশ কঠিনই বটে। কুমিল্লার কাছে যদি বরিশাল হারের দিনের দ্বিতীয় ম্যাচে প্লে-অফে ওঠার সমীকরণ জেনেই সিলেটের বিপক্ষে মাঠে নামবে খুলনা। সেক্ষেত্রে সিলেটকে বড় ব্যবধানে হারাতে হতে পারে তাদের।