রাশিয়ার জন্য নিষেধাজ্ঞা, দরজা খোলা থাকবে ইসরায়েলের
চলতি বছরের জুলাই থেকে শুরু হবে ‘দ্য গ্রেটেস্ট শো অন আর্থ’ খ্যাত প্যারিস অলিম্পিক। যেখানে অংশ নিতে পারবে না রাশিয়ান অ্যাথলেটরা। মূলত, ইউক্রেনের সঙ্গে যুদ্ধে জড়িয়ে কপাল পুড়েছে দেশটির।
অপরদিকে দীর্ঘ দিন ধরে গাজায় ফিলিস্তিনিদের ওপর নৃশংসতা জারি রেখেছে ইসরায়েল। তবে প্যারিস অলিম্পিকে নিজ দেশের পতাকায় অংশ নিতে কোনো বাধা নেই তবে। যদিও ক্রীড়াঙ্গনে ইসরায়েলের নৃশংসতার প্রতিবাদের অংশ হিসেবে নিষিদ্ধের দাবি উঠেছে বহুবার।
আসন্ন ২০২৪ প্যারিস অলিম্পিকেও ইসরায়েলকে নিষিদ্ধের দাবিও তুলেছেন অনেকেই। তবে আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটি (আইওসি) জানিয়েছে, ‘অলিম্পিকে ইসরায়েলকে নিষেধাজ্ঞা দেওয়ার কোনো পরিকল্পনা তাদের নেই।’ খবর দ্য গার্ডিয়েনের।
.png)
অলিম্পিক কর্তৃপক্ষ মনে করছে, গাজায় ইসরায়েল-ফিলিস্তিন দ্বন্দ্ব আর রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ সম্পূর্ণ ভিন্ন বিষয়। তাই রাশিয়াকে নিষিদ্ধ করা হলেও ইসরায়েলকে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হবে না।
প্যারিস অলিম্পিক সর্বশেষ প্রস্তুতি দেখতে তিন দিনের সফরে সেখানে যায় আইওসির সমন্বয় কমিটির প্রধান পিয়েরে-অলিভিয়ের বেকার্স-ভিউজা। প্যারিসে গিয়ে গণমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেছেন, ‘এই মুহূর্তে (ইসরায়েলের ওপর) নিষেধাজ্ঞার দাবি অগ্রহণযোগ্য।’
রাশিয়াকে নিষেধাজ্ঞা দেয়া হলেও কেন ইসরায়েলকে নয়, সেটার কারণও ব্যাখ্যা করেছেন বেকার্স-ভিউজা, ‘আইওসি প্রাথমিকভাবে রাশিয়াকে এবং তারপর রাশিয়ান অলিম্পিক কমিটিকে (আরওসি) যে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে, সেটার কারণ খুবই স্পষ্ট। আগে রাশিয়া এবং সম্প্রতি আরওসি অলিম্পিক সনদের অপরিহার্য অংশগুলোর মর্যাদা ক্ষুণ্ন করেছে। ফিলিস্তিন অলিম্পিক কমিটি বা ইসরায়েল অলিম্পিক কমিটির ক্ষেত্রে ব্যাপারটা সে রকম নয়। তারা শান্তি প্রতিষ্ঠার ব্যাপারে সহাবস্থানে আছে। তাই এটা একদম পরিষ্কার যে দুটি পরিস্থিতি ভিন্ন।’