ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ খেলা ]
ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ

ওপেনিংয়ে ব্যর্থ তামিম, টানা দ্বিতীয় সেঞ্চুরি ইমনের

ক্রীড়া প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১৩:৩৯, ১৭ মার্চ ২০২৪
ওপেনিংয়ে ব্যর্থ তামিম, টানা দ্বিতীয় সেঞ্চুরি ইমনের
ছবি কোলাজ- ডেইলি বাংলাদেশ

দশম বিপিএলের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক ছিলেন তামিম ইকবাল। এমনকি আসরের চ্যাম্পিয়ন শিরোপা ঘরে তোলে তার নেতৃত্বাধীন ফরচুন বরিশাল। এর ক’দিন পরেই ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে (ডিপিএলে) প্রাইম ব্যাংকের হয়ে মাঠের ক্রিকেটে ফেরেন বাঁহাতি এ ওপেনার। ঘরোয়া লিগের দলটিকেও নেতৃত্ব দিচ্ছেন তিনিই।

তবে ডিপিএলে ব্যাট হাতে কিছুতেই তিনি সুবিধা করতে পারছেন না তামিম। দলটির হয়ে প্রথম ম্যাচে ২৬ রান করার পর দ্বিতীয় ম্যাচে করেছিলেন ১৭ রান।

রোববার নিজেদের তৃতীয় ম্যাচে ব্যাট হাতে ফের তিক্ত অভিজ্ঞতা নিয়ে সাজঘরে ফেরেন তামিম। এদিন সিটি ক্লাবের বিপক্ষে ওপেনিংয়ে নেমেছিলেন তিনি। কিন্তু সুবিধা করতে পারেননি প্রাইম ব্যাংকের এই অধিনায়ক। 

Advertisement

উইকেটে থিতু হওয়ার আগেই সাজঘরে ফেরেন তামিম। আউট হওয়ার আগে ১১ বলে ৬ রান করেন তিনি। ইরফানের বলে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিয়ে প্যাভিলিয়নের পথ ধরেন এই ওপেনার।

ব্যক্তিগতভাবে তামিম ভালো করতে না পারলেও, প্রাইম ব্যাংকের আরেক ওপেনার পারভেজ হোসেন ইমনের ব্যাটে বইছে রানের বন্যা।  

আসরে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে জ্যামের কারণে নির্ধারিত সময়ে পৌঁছাতে পারেননি তামিম। ফলে অনেকটা বাধ্য হয়েই প্রাইম ব্যাংকের অভিজ্ঞ কোচ মোহাম্মদ সালাউদ্দিন ওপেনিং করতে পাঠান ইমনকে। সেই সুযোগ বেশ ভালোভাবেই কাজে লাগিয়েছেন তিনি। 

ম্যাচটিতে শাহাদাত হোসেইন দিপুর সঙ্গে ২৪৬ রানের পার্টনারশিপ গড়েন ইমন। আর ইমনের ব্যাট থেকে আসে ১২৯ বলে ১৫১ রানের ম্যারাথন এক ইনিংস। এবার তামিমের সঙ্গী হিসেবে নেমে ইমন পেলেন আরো একটি সেঞ্চুরি। ডিপিএলে সিটি ক্লাবের বিপক্ষে সেঞ্চুরি করে টানা শতকের স্বাদ পেলেন ২১ বছর বয়সী বাঁহাতি এই ব্যাটসম্যান।

ডিপিএলের প্রথম ম্যাচে তামিমের ওপেনিং পার্টনার ছিলেন দিপু। তবে গত ম্যাচের পারফরম্যান্সের সুবাদে রোববার ওপেনিং করতে আসেন ইমন। সঙ্গী তামিম ইকবাল মোটে ৬ রান করে ফিরে গেলেও অপরপাশে দারুণ কার্যকরী ইনিংস খেলেছেন এই তরুণ ওপেনার। 

তামিম ফেরার পর জাকির হাসান ও ইমন মিলে প্রাইম ব্যাংকের হাল ধরেন। ৭৭ বলে ৭৯ রান করে জাকির আউট হলেও উইকেটে টিকে থাকেন ইমন। ১১৩ বল থেকে ৫টি চার ও সমান সংখ্যক ছক্কা হাঁকিয়ে সেঞ্চুরি তুলে নেন তিনি। অবশ্য এদিন আর ইনিংস বড় করা হয়নি। সেঞ্চুরির পরের বলেই ক্যাচ দিয়ে সাজঘরে ফেরেন এই ওপেনার।

আগের ম্যাচের আরেক সেঞ্চুরিয়ান দিপু এ দিন উইকেটে আসেন মিডলঅর্ডারে। ৩ বল খেলে ১ রান করে মেহেদী হাসানের বলে বোল্ড হন তিনি। আর মিঠুন করেছেন ৪২ রান। তাদের সম্মিলিত স্কোরের সুবাদে ৫০ ওভারে ৩০৫ রানের বড় সংগ্রহ দাঁড় করিয়েছে প্রাইম ব্যাংক। 

ডেইলি-বাংলাদেশ/এআইএ
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!