প্রত্যেকের জন্য পৃথক পৃথক ফাইলও প্রকাশ করেছে ফিফা। সিনিয়র সহ-সভাপতি ও ফিন্যান্স কমিটির চেয়ারম্যান আব্দুস সালামের ৫২ পাতার ফিফা রিপোর্টে এসেছে ফেডারেশনের সভাপতি কাজী সালাউদ্দিনের নামও।
রিপোর্টের পাঁচ নম্বর পাতায় ২৬ নম্বর পয়েন্টে ফিফার ইনভেস্টগরী চেম্বার বাফুফের তুলনামূলক কোটেশন বিশ্লেষণ করে দেখেছে ভেন্ডর নির্বাচনের ক্ষেত্রে বাফুফের চার জন সব সময় জড়িত ছিল। এই চারজন হলেন বাফুফের সাবেক প্রধান অর্থ কর্মকর্তা আবু হোসেন, সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবু নাইম সোহাগ, ফিন্যান্স কমিটির চেয়ারম্যান আব্দুস সালাম মূর্শেদী ও বাফুফে সভাপতি কাজী সালাউদ্দিন।
.png)
ফিফা তাদের অধিভুক্ত সংস্থাকে অনুদান-আর্থিক সহায়তা প্রদান করে। ফিফার সেই অর্থ নিদিষ্ট নিয়ম-নীতি অনুসারে ব্যয় করতে হয়। বিশেষ করে কেনাকাটার ক্ষেত্রে সেই নীতি অনুসরণ বাধ্যতামূলকই।
ফিফা বাফুফেকে এ নিয়ে অনেক দিন থেকে তাগিদ দিয়ে এলেও বাফুফের সুনির্দিষ্ট ক্রয় নীতিমালা ছিল না।
সালাম মূর্শেদীর প্রতিবেদনে বাফুফের চেক এবং বেশ কিছু তথ্য প্রকাশ করেছে ফিফা। সেখানে একটি ডকুমেন্টে বাফুফে সভাপতি কাজী সালাউদ্দিনের স্বাক্ষরও দেখা গেছে। গত বছর সোহাগ নিষিদ্ধের ঘটনায় বাফুফে সভাপতির নাম আসেনি। কিন্তু এবার পাঁচটি পৃথক ফাইলের মধ্যে শুধু সালাম মুর্শেদীর ওপর ফিফা প্রতিবেদনে সালাউদ্দিনের প্রসঙ্গ এসেছে।