এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের সংগ্রহ ১৩.৩ ওভারে দুই উইকেটে ১৪৭ রান।
ডালাসের গ্র্যান্ড প্রেইরি স্টেডিয়ামে আগে ব্যাটিং করে নির্ধারিত ২০ ওভারে পাঁচ উইকেটে ১৯৪ রান সংগ্রহ করেছে কানাডা। জয়ের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের প্রয়োজন ৪৮ রান।
.png)
লক্ষ্য তাড়ায় ইনিংসের শুরুতেই হোঁচট খেয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। দলটির হয়ে ইনিংস উদ্বোধনে নামেন স্টিভেন টেইলর ও মোনাঙ্ক প্যাটেল। তবে রানের খাতা খোলার আগেই এ জুটিতে আঘাত হানেন কলিম সানা।
প্রথম ওভারের দ্বিতীয় বলেই স্টিভেন টেইলরকে লেগ বিফোরের ফাঁদে (এলবিডব্লিউ) ফেলেন কলিম। কানাডার জোরালো আবদনে সাড়া দেন রিচার্ড ইলিংওয়ার্থ। তবে সেই সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানান টেইলর। তাতে অবশ্য লাভ হয়নি। টিভি আম্পায়ারও তাকে হতাশ করেছে।
এরপর ক্রিজে আসেন আন্দ্রেস গাউস। তার সঙ্গে ৪২ রানের জুটি গড়েন মোনাঙ্ক। ভয় ধরানো এই জুটি ভাঙেন দিলন হেলিগার।
ইনিংসের সপ্তম ওভারে মোনাঙ্ককে সাজঘরের পথ দেখান হেলিগার। আউট হওয়ার আগে ১৬ রান করেন তিনি।
পরে বাইশ গজে আসেন অ্যারন জনস। ঝোড়ো ব্যাটিং করে ২২ বলে ফিফটি করেন তিনি। তার সঙ্গে অর্ধশতক করেছেন গাউসও। এ জুটির ব্যাটেই সহজ জয়ের পথে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।
গাউস ৫৪ ও ৬২ রানে ব্যাটিং করছেন অ্যারন।
এর আগে টস হেরে আগে ব্যাটিং করতে নেমে দুর্দান্ত শুরু করে কানাডা। তারই ধারাবাহিকতায় ফিফটি তুলে নিয়েছেন নভনিত ও কিরটন। আর শেষ মুহূর্তে শ্রেয়াসের উড়ন্ত ব্যাটিংয়ে বড় সংগ্রহ পেয়েছে ম্যাপল লিফারসরা।
যুক্তরাষ্ট্রের হয়ে একটি করে উইকেট নেন হারমীত সিং, কোরি অ্যান্ডারসন ও আলি খান।