জীবন এমনই, একদিকে ছিনিয়ে নেবে আরেকদিকে ফিরিয়ে দেবে দুই হাত ভরে। রাহুল দ্রাবিড়ের গল্পটাও প্রকৃতির শূন্যতা পূরণের আরো এক উদারহরণ। ঠিক যেমন, দেনা পাওনার নিষ্পত্তি। যে হিসেব মেলাতে ফিরে যেতে হবে ২০০৭ সালে; এই ক্যারিবিয়ান দ্বীপেই অপমৃত্যু হয়েছিল একটা স্বপ্নের। ওয়ানডে বিশ্বকাপে বাংলাদেশ ও শ্রীলংকার কাছে হেরে গ্রুপ পর্ব থেকে বিদায় নিয়েছিল রাহুল দ্রাবিড়ের ভারত।
তবে দ্যা ওয়াল কিংবা মিস্টার ডিপেন্ডেবল তকমা পাওয়া রাহুলের সততা-নিষ্টা-একাগ্রতা নিয়ে কখনো প্রশ্ন ওঠেনি। অথচ মেগা ইভেন্টের ব্যর্থতা তাকে কাঠগড়ায় তুলেছে দিনের পর দিন। ভারতীয় গ্রেটদের মধ্যে অভাগা সৌরভ গাঙ্গুলী আর রাহুল দ্রাবিড়। ২০০৩ বিশ্বকাপ স্বপ্নভঙ্গের গল্প কে না জানে?
.png)
ক্রিকেটার হিসেবে না পারলেও কোচ হয়ে অন্তত সেই আক্ষেপ ঘুচলো দ্রাবিড়ের। গাঙ্গুলীর কষ্টটাও হয়ত কিছুটা কমেছে। দ্রাবিড়কে কোচ করার কারিগর যে সাবেক এ বিসিসিআই সভাপতি। তবে শূণ্যতা পূরণের গল্পে বিশ্বাস করেন না ভদ্রলোক।
রাহুল দ্রাবিড় বলেন, প্রথম কথা এটাতে আমি বিশ্বাস করিনা। আমি শুধু একা নই, আরো বহু ক্রিকেটার আছেন যারা ট্রফি জিততে পারেননি ক্রিকেটার হিসেবে কাপ জেতার মত যথেষ্ট ভাগ্যবান ছিলাম না আমি। তবে আমি সব চেষ্টাই করেছিলাম। তবে কোচ হিসেবে ভারতীয় দলকে পরিচালনা করাটা আমার জন্য বিরাট ভাগ্যের। অসাধারণ এক পথচলা। দারুণ উপভোগ করেছি।
বিরাট কোহলি-রোহিত শর্মা যেমন রাঙালেন তাদের টি-২০ বিদায়। ইতিহাস মনে রাখবে, বার্বাডোজের গল্পে ছিল নেপথ্য নায়ক। তিনি রাহুল দ্রাবিড়।
ভারতকে বিশ্বকাপ জেতানো কোচ আরো বলেন, ‘পরবর্তী সপ্তাহ থেকে আমি বেকার। বেশিদূর ভাবতে চাইনা। আনন্দ উচ্ছ্বাসের এ ভাবনা থেকেও কয়েকদিনের মধ্যে হয়ত বেরিয়ে আসব। এটাইতো জীবন।’