এবারের কোপা আমেরিকায় খুব একটা ছন্দে নেই লিওনেল মেসি। কিন্তু তিনি এখানেই ক্যারিয়ারের ইতি টানবেন, এমনটা সহজে মানতে পারবে না কোনো ভক্তই। আকারে ইঙ্গিতে মেসি নিজের শেষ সময় জাবনালেও তিনি ২০২৬ বিশ্বকাপ খেলবেন, এমনটাই সবার প্রত্যাশা।
এদিকে আর্জেন্টাইন সাংবাদিক হোসে আরমান্দো দাবি করেছেন, ২০২৬ বিশ্বকাপ না। রোববারের (বাংলাদেশ সময়ে সোমবার) ফাইনালই লিওনেল মেসির জন্য আর্জেন্টিনার হয়ে শেষ ম্যাচ।
.png)
ডিপোর্তে টোটাল ইউএসএ এর এই সাংবাদিক নিজের এক্স হ্যান্ডেলে এমনই দাবি নিয়ে হাজির হয়েছেন। তার মতে, অ্যাঞ্জেল ডি মারিয়ার বিদায়ের ক্ষণ উদযাপনের স্বার্থেই এখন মুখ খুলছেন না মেসি।
এই সাংবাদিক লিখেছেন, ‘আমার মনে হয় রোববার (কোপা আমেরিকা ফাইনাল) মেসি আর্জেন্টিনার হয়ে সর্বশেষ ম্যাচ খেলবে। সে এটা আগে থেকে জানাচ্ছে না, যেন সবাই ডি মারিয়ার বিদায়টা ভালোমতো উদযাপন করে। তবে, তার সাম্প্রতিক কথাবার্তা শুনে আমার এটাই মনে হচ্ছে কোপা আমেরিকার ফাইনালই তার শেষ ম্যাচ।’
লিওনেল মেসি নিজেও অবশ্য বিদায়ের ইঙ্গিত দিয়ে রেখেছেন। কানাডার বিপক্ষে ম্যাচের পর নিজেই জানান দিলেন ক্যারিয়ারের শেষ সময়ে আছেন তিনি, ‘জাতীয় দল ও একটি গ্রুপ হয়ে আমরা যে অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে যাচ্ছি, সেটি উপভোগ করছি।
আবারও ফাইনালে ওঠা সহজ বিষয় নয়, আবারও চ্যাম্পিয়ন হওয়ার প্রতিযোগিতায় নামতে হবে। উপভোগও করছি, এর পাশাপাশি ফিদেও (দি মারিয়া), ওটার (নিকোলাস ওটামেন্দি) মতো আমিও মনে করছি, এগুলো (আমাদের) শেষ লড়াই।’
যদিও লিওনেল মেসি বিদায় না বললেও ডি মারিয়া নিশ্চিতভাবেই বিদায় বলছেন আর্জেন্টিনার জার্সিকে। আগেই সেই ঘোষণা করেছিলেন এল ফিদেও। কানাডার বিপক্ষে জয়ের পর তা মনে করিয়ে দিয়েছেন আরো একবার।
জাতীয় দলের হয়ে মেসি নিজের অপূর্ণতা ঘুচিয়েছেন ২০২১ সালে। ক্যারিয়ারের শেষ দিকে এসে একে একে জয় করেছেন কোপা আমেরিকা, ফিনালিসসিমা এবং বিশ্বকাপ।
২০২৪ সালের কোপা আমেরিকা জয় করলে ইতিহাসের দ্বিতীয় দল হিসেবে টানা তিন মেজর আন্তর্জাতিক শিরোপা ঘরে তুলবে আর্জেন্টিনা। এর আগে এমনটা করেছে স্পেন। ২০০৮ সাল থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত এই কৃতিত্ব দেখিয়েছে ইউরোপিয়ান দলটি।
আর্জেন্টাইন সাংবাদিক হোসে আরমান্দো কার্লো স্পোর্টস এবং ডিপোর্তে টোটাল ইউএসএ এর হয়ে লিওনেল মেসি ও ইন্টার মায়ামি নিয়ে কাজ করে চলেছেন। তার এমন মন্তব্যের পর স্বাভাবিকভাবেই টুইটারে শুরু হয়েছে বড় রকমের আলোচনা।
যদিও শেষ পর্যন্ত মেসি ২০২৬ পর্যন্তই থেকে যাবেন এমন প্রত্যাশাই করছেন আর্জেন্টাইন ভক্তরা।