ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধেও আধিপত্য ধরে রেখেছিল কলম্বিয়া। প্রথমার্ধের মতো দ্বিতীয়ার্ধে ছন্দে ফেরার চেষ্টা করেছে আর্জেন্টিনা। কিন্তু একাধিক সুযোগ পেয়েও তা কাজে লাগাতে পারেনি। এতে দ্বিতীয়ার্ধের খেলাও শেষ হয়েছে গোলশূন্যে।
ম্যাচের প্রথম মিনিটেই আক্রমণে ওঠে আর্জেন্টিনা। গঞ্জালো মন্টিয়েলের ক্রস থেকে কলম্বিয়ার জালে বল পাঠাতে ব্যর্থ হন জুলিয়ান আলভারেজ। পঞ্চম মিনিটে আর্জেন্টিনার জালে বল পাঠানোর চেষ্টা করেন লুইস দিয়াস। তবে তার সেই প্রচেষ্টা ব্যর্থ করে দেন আর্জেন্টাইন গোলরক্ষক মার্টিনেজ।
.png)
১৩তম মিনিটে আবারো আর্জেন্টিনার ডেরায় ভয় ধরায় কলম্বিয়ানরা। বক্সের মধ্যে থেকে লক্ষ্যে শট নেয় কার্লোস কোয়েস্তা। কিন্তু তার বলটি তালুবন্দী করেন মার্টিনেজ।
২০তম মিনিটে দুর্দান্ত সুযোগ তৈরি করে আর্জেন্টিনা। কিন্তু তাতে সফল হয়নি তারা। বক্সের মধ্যে থেকে নেয়া মেসির বাঁ-পায়ের শটটি সহজেই তালুবন্দী করেন কলম্বিয়ার গোলরক্ষক।
ম্যাচের ৩৩তম মিনিটে দূর পাল্লার শট নেন জেফারসন লেরমা। তার বলটি তালুবন্দী করেন মার্টিনেজ। ৪০তম মিনিটে আবারো আক্রমণে ওঠে তারা। কিন্তু আরিয়াসের নেয়া শটটি লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়।
পরের মিনিটেই আর্জেন্টিনার বক্সে ঢুকে যায় কলম্বিয়া। এবারও তাদের লক্ষ্য ব্যর্থ করে দেয় মার্টিনেজ। ম্যাচের ৪৪তম মিনিটে আক্রমণে ওঠে আর্জেন্টিনা। ফ্রি কিক থেকে মেসির নেয়া শটটি জালে জড়াতে ব্যর্থ হন নিকোলাস। ম্যাচের প্রথমার্ধের বাকি সময়ে কোনো গোল হয়নি।
বিরতিতে থেকে ফিরে ছন্দ খুঁজতে থাকে আর্জেন্টিনা। বিরতির পর আলবিসেলেস্তেরা সবচেয়ে বড় ধাক্কা খায় ৬৬তম মিনিটে। ইনজুরির কারণে মাঠ ছাড়তে হয় মেসিকে। এরপর আরো ব্যাকফুটে চলে যায় বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা।
অন্যদিকে একের পর এক আক্রমণ সাজাতে ব্যস্ত থাকে কলম্বিয়া। তবে মার্টিনেজকে ফাঁকি দিতে পারেনি তারা। ম্যাচের মূল ৯০ মিনিটেও গোলশূন্য থাকে দুদল। এতে খেলা গড়িয়েছে অতিরিক্ত ৩০ মিনিটে।