সেই ধারাবাহিকতায় লিওনেল মেসি ও আর্জেন্টিন ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতি ক্লদিও তাপিয়ার ক্ষমা চাওয়া উচিত বলে মন্তব্য করেন গারো। এরপরই তাকে চাকরিচ্যুত করেছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট হ্যাভিয়ার মিলেই।
গত রোববার (১৫ জুলাই) ফ্লোরিডার হার্ড রক স্টেডিয়ামে তুমুল উত্তেজনাপূর্ণ ম্যাচে কলম্বিয়াকে ১-০ গোলে হারিয়ে টানা দ্বিতীয়বার কোপা আমেরিকা জেতে লিওনেল স্কালোনির শিষ্যরা। শিরোপা জয়ের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট করা আর্জেন্টিনা দলের টিম বাসে উদ্যাপনের একটি ভিডিওতে ফ্রান্সকে নিয়ে বানানো বর্ণবাদী গানটি শোনা যায়।
.png)
যে ভিডিওটি আবার পোস্ট করা হয়েছিল চেলসি তারকা ফার্নান্দেজের অ্যাকাউন্ট থেকে। সেই গানে মেসির উপস্থিতি ছিল না। কিন্তু জুলিও গারো তাকেও ক্ষমা চাইতে বলেছেন।
বুধবার (১৭ জুলাই) আর্জেন্টিনার একটি রেডিওতে গারো বলেন, 'জাতীয় দলের অধিনায়ক এবং এএফএ সভাপতিরও ক্ষমা চাওয়া উচিত। আমার মনে হয় এটা ঠিক না। এটা আমাদের গৌরবময় দেশকে বাজে পরিস্থিতির মুখোমুখি করছে।' গারোর করা এই মন্তব্য ভালোভাবে গ্রহন করেননি আর্জেন্টাইন প্রেসিডেন্ট।
পরবর্তীতে দেশটির অফিসিয়াল সরকারি এক্স অ্যাকাউন্টে করা পোস্টের মাধ্যমে তাকে চাকরিচ্যুত করার ঘোষণা দেয়া হয়। সে পোস্টে উল্লেখ করা হয়, 'প্রেসিডেন্টের অফিস থেকে জানানো যাচ্ছে যে, বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন, টানা দুইবার কোপা আমেরিকা চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা জাতীয় দল অথবা কোনো নাগরিক কী ভাববে, কী করবে, সেটা কোনো সরকার বলতে পারে না। এ কারণে জুলিও গারো আর্জেন্টিনার আন্ডার সেক্রেটারি অব স্পোর্টসের দায়িত্বে আর থাকবেন না।'
চাকরিচ্যুত হওয়ার পরই গারো তার এক্সে করা পোস্টে এ প্রসঙ্গে দুঃখ প্রকাশ করে লিখেছেন, 'আমার কথায় যদি কেউ আঘাতপ্রাপ্ত হয়, তাহলে আমি দুঃখিত। আমার উদ্দেশ্য এটা ছিল না। কিন্ত আমি সর্বদা যেকোনো ধরনের বর্ণবাদের বিপক্ষেই থাকব।'