এদিন পুলে ঝাঁপ দেওয়ার আগেই ডান হাতের দুই আঙুল উঁচিয়ে ধরেন ইয়াজান। দেখলে মনে হবে বিজয়ী চিহ্ন, কিন্তু রেস তো তখনও শুরুই হয়নি। বুকের বাঁ পাশে এঁকে রেখেছেন পতাকা। যা কোনো সাঁতারুর ক্ষেত্রেই খুব একটা দেখা যায় না। এর মাধ্যমেই নিজ দেশ ফিলিস্তিনে শান্তি ফেরানোর বার্তা দিলেন তিনি।
প্যারিস অলিম্পিকে ছেলেদের ১০০ মিটার ব্যাকস্ট্রোকের প্রথম হিটে পুলে নামেন ইয়াজান। ৫৮.২৬ সেকেন্ডে রেস শেষ করে হিটে তৃতীয় হয়েও সেমিফাইনালে উঠতে পারেননি ২৪ বছর বয়সী এই সাঁতারু।
.png)
তবে অলিম্পিকের মতো মঞ্চে নিজ দেশের প্রতিনিধিত্ব করতে পেরেই গর্বিত তিনি। আল বাওয়াব বলেন, ‘ফ্রান্স ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দেয়নি। তবুও বুকে পতাকা এঁকে এখানে এসেছি। কেবল ফিলিস্তিনের জন্য সময় ও একটি লেন পেয়ে, নিজের পতাকা ওড়াতে পেরে আমি খুবই, খুবই খুশি। আমি মনে করি এটাই আমার দেওয়া শান্তির বার্তা।’
তিনি আরো বরেন, ‘অলিম্পিক খেলাধুলার সবচেয়ে বড় আসর। এখানে অংশ নিতে পারা যেকোনো অ্যাথলেটের জন্যই অসাধারণ অনুভূতির। আমার জন্য এটা বেশি স্পেশাল। কারণ আমি ফিলিস্তিনি। আমার দেশে কোনো খেলাধুলা নেই, আমাদের একটি পুলও নেই। তাই কণ্ঠস্বর না থাকা এমন একটি দেশের প্রতিনিধিত্ব করতে পারাটা অসাধারণ।’