ভারতীয় দলের নির্বাচকদের শামির শারীরিক অবস্থার অগ্রগতি সম্পর্কে অবহিত করা হয়েছে। তার ফিটনেস প্রমাণের জন্য অনন্তপুরে ৫ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হওয়া দিলীপ ট্রফিতে তাকে অন্তত একটি ম্যাচ খেলানো উচিত কিনা, এ বিষয়ে জলদি সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।
শামি বর্তমানে ব্যাঙ্গালুরুর জাতীয় ক্রিকেট একাডেমিতে পুনর্বাসনের শেষ পর্যায়ে রয়েছেন। গত মাসে তার অস্ত্রোপচারের পর প্রথমবার বোলিং শুরু করেছিলেন এবং ব্যথামুক্ত থাকায় ধীরে ধীরে বোলিংয়ের পরিমাণ বাড়িয়েছেন।
.png)
গত জুলাইয়ে টিম ইন্ডিয়ার শ্রীলংকা সফরে যাওয়ার আগে প্রধান নির্বাচক অজিত আগরকার নিশ্চিত করেছিলেন, শামি বোলিং করা শুরু করেছেন। চেন্নাইয়ে ১৯ সেপ্টেম্বর থেকে বাংলাদেশের বিপক্ষে শুরু হওয়া সিরিজের প্রথম টেস্টটি তাকে ফেরানোর লক্ষ্য রয়েছে।
যদি ভারতের মাটিতে বাংলাদেশের বিপক্ষে দুই এবং নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে তিন ম্যাচ টেস্ট সিরিজ শামি মিস করেন, সেক্ষেত্রে অস্ট্রেলিয়া সফরের আগে বোলিংয়ে ছন্দ ফিরে পেতে তার হাতে পর্যাপ্ত সময় আছে।
জাতীয় দলে ফিরে আসার আগে বেঙ্গল রাজ্যের হয়ে গত মাসের শেষের দিকে কলকাতায় খেলার আশা প্রকাশ করেছিলেন শামি। ঐ সময় তিনি রাজ্যের খেলোয়াড়দের জন্য কয়েকটি ফিটনেস সেশনে অনানুষ্ঠানিকভাবে অংশ নিয়েছিলেন।
প্রাথমিকভাবে মনে হয়েছিল শামি গোড়ালির চোট এতটা গুরুতর নয়। ফিটনেস সাপেক্ষে ডিসেম্বর-জানুয়ারিতে দক্ষিণ আফ্রিকায় দুই ম্যাচের সিরিজের জন্য তাকে টেস্ট স্কোয়াডে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল। পরে তাকে সফর থেকে প্রত্যাহার করে নেয়া হয়।
ফেব্রুয়ারি-মার্চে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ঘরের মাঠে টেস্টে সিরিজে ফেরার আশায় তিনি এনসিএতে ফিরে যান। কিন্তু তার ডান পায়ের গোড়ালি ক্রমশ ফুলতে থাকে। এরপর ডানহাতি এই পেসারকে অস্ত্রোপচারের পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল। গুজরাট টাইটান্সের হয়ে চলতি বছর আইপিএলও খেলতে পারেননি।
উল্লেখ্য, ওয়ানডে বিশ্বকাপের শামি ভারতের গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড় ছিলেন। সাত খেলায় ১০.৭০ গড়ে এবং ১২.২০ স্ট্রাইক রেটে ২৪ উইকেট নিয়েছিলেন।