২০১৮ সালের ১৪ জুন টেস্ট অভিষেক হয় আফগানিস্তানের। বেঙ্গালুরুতে ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে টেস্টে আফগানদের পথচলা শুরু হয়। অভিষেক টেস্টে ভারতের কাছে ইনিংস ও ২৬২ রানে হেরেছিল আফগানিস্তান।
টেস্ট ইতিহাসে এখন পর্যন্ত ৯টি ম্যাচ খেলেছে আফগানিস্তান। এরমধ্যে ৩টিতে জয় ও ৬টিতে হার রয়েছে। বাংলাদেশ ছাড়াও আয়ারল্যান্ড ও জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে তাদের জয় আছে।
.png)
কিউইদের সঙ্গে এশিয়ার দলটির লাল বলের ক্রিকেট ম্যাচ খেলার অপেক্ষা ফুরাচ্ছে। ইংল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া, পাকিস্তান এবং দক্ষিণ আফ্রিকার সঙ্গে এখনো টেস্ট খেলেনি আফগানরা। ২০২১ সালে নারীদের খেলাধুলা নিয়ে তালেবান সরকারের বিতর্কিত নীতির কারণে হোবার্টে আফগানিস্তানের বিপক্ষে একমাত্র টেস্ট বাতিল করেছিল অস্ট্রেলিয়া।
চলতি বছর দুটি টেস্ট খেলে শ্রীলংকা এবং আয়ারল্যান্ডের কাছে হেরেছে আফগানিস্তান। ২০২১ সালের মার্চে টেস্টে তারা সর্বশেষ জয়ের স্বাদ পেয়েছিলো। সংযুক্ত আরব আমিরাতের মাটিতে জিম্বাবুয়েকে ৬ উইকেটে হারিয়েছিল।
ইনজুরির কারণে দলের সেরা স্পিনার রশিদ খানকে পাবে না আফগানিস্তান। তার অনুপস্থিতিতে দলের স্পিন বিভাগ সামলাবেন জহির খান ও জিয়াউর রহমান।
টেস্টে নিউজিল্যান্ডকে কঠিন চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দেওয়ার হুশিয়ারি দিয়ে আফগানিস্তানের ব্যাটার রহমত শাহ বলেছেন, ‘নিউজিল্যান্ড বিশ্বের অন্যতম সেরা দল। আইসিসি টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের প্রথম আসরেই শিরোপা জিতেছে তারা। আমরা নিউজিল্যান্ডকে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিতে চাই।’
ভারতের কন্ডিশনে অনেক ম্যাচ খেলেছে আফগানিস্তান। এটি একটি বাড়তি সুবিধা বলে মনে করেন রহমত, ‘আমরা ভারতের উইকেট-কন্ডিশনের সাথে পরিচিত। এখানে আমরা অনেক ম্যাচ খেলেছি ও ক্যাম্প করেছি। অতীতের অভিজ্ঞতা আমাদের সহায়তা করবে। সেজন্য এই টেস্টে আমরা এগিয়ে থাকবো।’
আফগানিস্তানের বিপক্ষে শক্তিশালী দল নিয়েই মাঠে নামবে নিউজিল্যান্ড। টপ অর্ডারে অভিজ্ঞ ওপেনার ডেভন কনওয়ে এবং টম ল্যাথামের সঙ্গে দলে রাখা হয়েছে বিশ্বের অন্যতম সেরা ব্যাটার ও সাবেক অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসনকে।
ভারতের কন্ডিশন বিবেচনায় দলে পাঁচজন স্পিনার রেখেছে নিউজিল্যান্ড। তারা হলেন- মিচেল স্যান্টনার, আজাজ প্যাটেল, রাচীন রবীন্দ্র, টিম ব্রেসওয়েল এবং গ্লেন ফিলিপস। শ্রীলংকার সাবেক স্পিনার রঙ্গনা হেরাথকে দলের কোচিং প্যানেলে অর্ন্তুভুক্ত করেছে কিউইরা।
ভারতের মাটিতে দুর্দান্ত এক রেকর্ড রয়েছে বাঁহাতি স্পিনার প্যাটেলের। ২০২১ সালে মুম্বাইয়ে ভারতের বিপক্ষে টেস্টের এক ইনিংসে ১০ উইকেট নিয়েছিলেন তিনি। ইংল্যান্ডের জিম লেকার ও ভারতের অনিল কুম্বলের পর তৃতীয় বোলার হিসেবে ইনিংসে ১০ উইকেট নেয়ার কীর্তি গড়েন তিনি। ভারতের মাটিতে আবারো টেস্ট খেলার সুযোগ পেয়ে আনন্দিত এই ক্রিকেটার বলেন, ‘ভারতে ফিরে আসাটা সবসময় আমার কাছে বিশেষ কিছু।’
‘নিউজিল্যান্ডের সব স্পিনাররাই জানে, এখানে খেলা কতটা কঠিন। আমাদের দেশে কন্ডিশনের কারণে খেলার তেমন সুযোগ পাই না। আমি মনে করি এজন্য আমাদের মধ্যে ভালো পারফরমেন্সের তাগিদ আরো বাড়িয়ে দেয়। বিশেষ করে ভারতের মতো স্পিন সহায়ক কন্ডিশনে যদি খেলার সুযোগ পাই, তখন ভালো পারফরমেন্স করার ইচ্ছা বহুগুণ বেড়ে যায়।’