নির্ধারিত সময় পেরিয়ে গেলেও আরো ৭ মিনিট যোগ করা হয়েছিল। রেফারি মাইকেল অলিভার শেষ পর্যন্ত অতিরিক্ত ৯ মিনিট খেলা চালিয়ে যান। কারণ আর্সেনালের ফুটবলারদের চোট ও ক্রাম্পের পাশাপাশি তারা সেট পিস নিতে সময়ক্ষেপণ করছিলেন।
গানারদের সমালোচনায় ডিফেন্ডার স্টোনসের ভাষ্য, ‘আর্সেনালের কৌশল সিটির পক্ষে তাদের নিজেদের ছন্দ খুঁজে পাওয়া কঠিন করে তুলেছিল। তারা ম্যাচের গতি মন্থর করে দিয়েছে। গোলরক্ষক মাটিতে শুয়ে পড়ে, যাতে বাইরে থেকে কিছু তথ্য তারা মাঠে পেতে পারে। সেই কঠিন সময়ে আমাদের আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে হয়েছিল। অনুভব করেছি যে, ভালো আমরা খেলেছি। অনেক কঠিন ট্যাকেল ছিল, কিছু বাজে সিদ্ধান্ত ছিল। তারপরও আমরা ভালো করেছি।’
.png)
আর্সেনাল সময় নষ্টের কূটকৌশল আয়ত্ত করেছে কিনা- এমন প্রশ্নের জবাবে স্টোনসে বলেন, ‘আমি বলব না যে তারা এটি আয়ত্ত করেছে। তবে তারা এখন কয়েক বছর ধরে এমনটাই করছে। তাই কৌশলটির প্রয়োগ প্রত্যাশিত ছিল। এটাকে চতুরতা কিংবা নোংরামি, যা ইচ্ছা বলতে পারেন। তবে ওরা খেলা থমকে দেয়, স্বাভাবিক ছন্দ তাতে বিঘ্নিত হয়। তারা এটাকে নিজেদের পক্ষে কাজে লাগায়। তবে আজকে আমরা ভালো করেছি।’
ম্যানসিটির ডিফেন্ডার বার্নার্দো সিলভার আর্সেনালের কৌশল নিয়ে সমালোচনা মুখর হন। তার মতে, ‘প্রথম সেকেন্ড থেকেই এটা শুরু হয়েছিল। খেলার শুরু থেকেই আমরা দেখেছি যে, এসব হচ্ছে। আমাদের একজনকে চোট পেয়ে মাঠ ছাড়তে হয়, কারণ ১০ মিনিটের মধ্যে দুই দফায় তাকে ফেলে দেওয়া হয়। প্রথম গোলটি আমরা যখন হজম করলাম, রেফারি তখন আমাদের অধিনায়ককে ডেকে কথা বলছিলেন। এরপর তাকে নিজের পজিশনে ফিরে যাওয়ার সময় দেওয়া হয়নি। ’
‘দ্বিতীয় গোলটি এমন অবস্থায় হয়েছে, যখন আমাদের গোলকিপারকে ব্লক করে রাখা হয়েছিল, রেফারি সেটা মঞ্জুর করেছেন। এরপর একের পর এক ঘটনা ঘটেছে, সময় নষ্ট করা হয়েছে। আমাকে যেটা সবচেয়ে বেশি নাড়া দেয়, তা হলো, মৌসুমের শুরুতে ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের সঙ্গে বৈঠকে তারা বলেন যে, এই ধরনের পরিস্থিতিগুলো নিয়ন্ত্রণ করা হবে এবং এসব হতে দেওয়া হবে না। কিন্তু দিন শেষে কথাগুলো স্রেফ কথাই থেকে যায়, কোনো কাজ হয় না।’