বিষয়টি নিয়ে দেশের এক জাতীয় দৈনিককে সাক্ষাৎকার দিয়েছেন হাথুরু। নোটিশের জবাব দিতে আইনজীবীর সঙ্গে কথা বলবেন- এমনটাই তিনি জানান।
বিসিবি সভাপতি ফারুক আহমেদ মঙ্গলবার বলেছেন, ফারুক বলেন, ‘দুই তিনটি ঘটনা ঘটেছে। যেগুলো আসলে একজন সাবেক খেলোয়াড় হিসেবে আমার জন্য খুব পীড়াদায়ক ছিল। পাশাপাশি এটা দলের জন্যও খুব একটা ভালো উদাহরণ ছিল না। সেগুলো বিবেচনা করে আজকে আমরা তাকে একটা কারণ দর্শাও নোটিশ এবং দায়িত্ব থেকে অব্যাহতির চিঠি দিয়েছি।’
.png)
তবে সাক্ষাৎকারে হাথুরুসিংহে বলেছেন, ‘হ্যাঁ জানি, কিছু খবর ছড়িয়েছে। তবে সবই অভিযোগমাত্র। আমি দুদিন পর এ বিষয়ে আপনাদের জানাব। তবে আমি আমার আইনজীবীর সঙ্গে কথা বলবো।’
ফারুকের বলা অভিযোগ নিয়ে তার ভাষ্য, ‘আমি আপনাদের সবার সঙ্গেই কথা বলে যাব। শিগগির সবই পরিষ্কার করে দেব। সে সময় পর্যন্ত আপনারা ধৈর্য ধরুন।’
বাংলাদেশ ছাড়ার আগে বিসিবিকে নোটিশের উত্তর দেবেন জানিয়ে তিনি বলেন, ‘তার আগে আমাকে একটা উত্তর দিতে হবে (বিসিবিকে)। কারণ, তারা আমাকে শোকজের নোটিশ দিয়েছে। কারণ দর্শানোর নোটিশের জবাব কেমন হবে, সেটা এ মুহূর্তে বলতে পারছি না। আমি তাদের জানাব, তারা আপনাদের জানাবে।’
২০২৩ সালে দ্বিতীয় মেয়াদে টাইগারদের কোচ হয়ে আসেন এই শ্রীলঙ্কান। ৩৫ হাজার ডলারে তার সঙ্গে চুক্তি হয়েছিল। চুক্তির মেয়াদ ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ছিল। সেই চুক্তিতে ছিল একটি শর্ত। মেয়াদ শেষের আগে তাকে অব্যাহতি দেওয়া হলে দিতে হবে চুক্তির সময়কাল পর্যন্ত অবশিষ্ট বেতন ও জরিমানা।
সেজন্য কৌশলগত কারণে হাথুরুকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছে বিসিবি। অন্যথায়, চুক্তি অনুসারে প্রাপ্ত বাকি মাসগুলোর বেতন পাবেন না সাবেক এই লঙ্কান ক্রিকেটার।
বিসিবি যদি বেতন ও জরিমানা না দেয়, তখন হাথুরুসিংহে নিয়ম অনুযায়ী আপিল করতে পারবেন। সেজন্য তাকে অর্থ পরিশোধ না করার ক্ষেত্রে বিসিবির হাতে উপযুক্ত প্রমাণ প্রয়োজন। কেন তাকে বরখাস্ত করা হয়েছে ও কী কারণে বেতন দেওয়া হবে না, সেটির জবাব হাথুরুসিংহে দিলে ক্রিকেট বোর্ডের হাতে দালিলিক প্রমাণ হিসেবে থাকবে।