বার্সেলোনার বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচ চাইলেন কৃষ্ণা
সদ্য শেষ হওয়া সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপের শিরোপা জয়ের আগে বাংলাদেশ দলের অপর্যাপ্ত প্রস্তুতি নিয়ে কম আলোচনা হয়নি। গত দুই বছরে সাফের আগে মাত্র ৯টি আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলে অনুশীলন নির্ভরতা সত্ত্বেও মাঠের ফুটবলে নিজেদের অদম্য ইচ্ছা ও সামর্থ্যের প্রমাণ দেখিয়েছে। বাঘিনীরা আবারো দেশে সাফের ট্রফি নিয়েই ফেরে।
দেশের মাটিতেই নারী ফুটবলাররা পর্যাপ্ত ম্যাচ খেলার সুযোগ পান না বিদেশের মাটিতে সেটি একেবারেই কম। এশিয়ার বাইরে খেলার নজির নেই। নিয়মিত বেতন না পাওয়া ফুটবলারদের জন্য হয়তো সেই প্রত্যাশাটা অনেকের কাছে বাড়াবাড়ি। যদিও অর্জনের পাল্লাটা তাদের পুরুষ ফুটবলারদের চেয়েও ভারি।
টানা দ্বিতীয়বারের মতো সাফের শিরোপা জয় অবশ্য নারী ফুটবলারদের বৈষম্য দূরীকরণে আনতে পারে বড় ভূমিকা। মাঠে লড়াইয়ে বারবার জবাব দেওয়া খেলোয়াড়দের সমস্যা সমাধানে আন্তরিক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। তার কাছে নিজের আকাঙ্ক্ষার কথা তাই সরাসরি তুলে ধরলেন ফরোয়ার্ড কৃষ্ণা রাণী সরকার।
.png)
শনিবার (২ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টায় ফুটবলাররা যমুনায় প্রবেশ করেন। এরপর তাদের সংবর্ধনা দেন প্রধান উপদেষ্টা। ঐ সময় রাষ্ট্রপ্রধানকে এশিয়ার বাইরে তাদের জন্য একটি প্রীতি ম্যাচের ব্যবস্থা করতে অনুরোধ করেছিলেন কৃষ্ণা। বিশেষত ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়ন্স লিগ বিজয়ী বার্সেলোনার বিপক্ষে তিনি প্রীতি ম্যাচ চান।
আলাপচারিতার একপর্যায়ে কৃষ্ণা ঢাকায় ফুটবলারদের আবাসন সমস্যার বিষয়টি উত্থাপন করেন। এ সময় মিডফিল্ডার মনিকা চাকমা পাহাড়ী অঞ্চল খাগড়াছড়ি জেলার প্রত্যন্ত উপজেলা লক্ষ্মীছড়িতে ফুটবলার হওয়ার জন্য তাকে যেসব সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়েছিল, সেই ঘটনা জানান।
ময়মনসিংহের কলসিন্দুর গ্রাম থেকে উঠে আসা মারিয়া মান্দার নিজের ও তার সতীর্থদের জীবন সংগ্রামের ইতিহাস বলতে গিয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। অল্প বয়সে বাবাকে হারানোর পর মায়ের লালন-পালনে বেড়ে উঠেই আজকের অবস্থানে এসেছেন বলে উল্লেখ করেন।