বাঘিনীদের ঐতিহাসিক প্রতিপক্ষ আয়ারল্যান্ড, পরিসংখ্যানে এগিয়ে যারা
নারী ক্রিকেট বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে পঞ্চম স্থান অর্জন করায় বাংলাদেশ ২০১১ সালে আইসিসির ওয়ানডে মর্যাদা লাভ করে। আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে পঞ্চম স্থান নির্ধারণী সেই খেলাটি পায় আন্তর্জাতিক ম্যাচের মর্যাদা। বিশ্ব ক্রিকেটে বাঘিনীদের ব্যাটে-বলে লড়াইয়ের পথচলাটা এভাবেই আরম্ভ হয়েছিল।
বিকেএসপির দুই নম্বর মাঠে ২০১১ সালের ২৬ নভেম্বর প্রথম আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলা বাংলাদেশ নারী দল ৮২ রানের বড় ব্যবধানে জিতেছিল। আগে ব্যাটিংয়ে নেমে স্বাগতিকরা স্কোরবোর্ডে তোলে ৭ উইকেটে ২১০ রান। জবাবে আইরিশরা ১২৮ রানেই গুটিয়ে যায়।
কাকতালীয়ভাবে আন্তর্জাতিক টি-২০ অভিষেকটাও বাংলার মেয়েদের একই দলের বিপক্ষে হয়েছিল। ডাবলিনে ত্রিদেশীয় সিরিজের একটি ম্যাচে রুদ্ধশ্বাস জয় পায় সালমা খাতুনের দল। আগে ব্যাট করা আয়ারল্যান্ড ৪ উইকেটের বেশি না হারালেও ৯২ রানের বেশি তুলতে পারেনি। লো স্কোরিং ম্যাচে মাত্র এক বল হাতে রেখে বাংলাদেশ ৪ উইকেটে জিতেছিল। দিনটি ছিল ২০১২ সালের ২৮ আগস্ট।
.png)
পরিসংখ্যান বলছে, এ পর্যন্ত দুদল টি-২০ ফরম্যাটে ১১ বার লড়েছে। আটবারই জয়ের মুখ দেখেছে বাংলাদেশ, তিনবার আয়ারল্যান্ড। ওয়ানডেতেও টিম টাইগ্রেসের পাল্লাটা বেশ ভারি। ১২ বারের দেখায় তারা আটবারই জিতেছে। মাত্র একবার হারের স্বাদ পায়। চারটি খেলা বৃষ্টির কারণে হয়েছিল পরিত্যক্ত।