আইসিসির নিয়ম অনুযায়ী কোনো ক্রিকেট লিগে প্রথম একাদশে অন্তত সাতজন সেই দেশের ক্রিকেটার রাখতে হবে। এনসিএল সেই নিয়ম মানেনি। তাছাড়া বেশ কিছু অনুমতি সংক্রান্ত বিষয়েও নিয়ম মানেনি এনসিএল। ক্রিকেটের অভিভাবক সংস্থার মতে, যুক্তরাষ্ট্রের ক্রিকেট লিগ ঘিরে মাঠে এবং মাঠের বাইরে নানা ধরনের সমস্যা রয়েছে।
ক্রিকেট বিষয়ক একটি ওয়েবসাইটের প্রতিবেদন অনুযায়ী, কিছু কিছু ম্যাচে একই দলে একইসঙ্গে ৬-৭ জন বিদেশি ক্রিকেটারকেও ফিল্ডিং করতে দেখা গেছে। আইসিসি এই বিষয়টিকে নিয়মের প্রতি অসম্মান হিসেবে চিহ্নিত করেই নিয়েছে শাস্তিমূলক পদক্ষেপ।
.png)
লিগের ম্যাচগুলোতে উইকেটের অবস্থা ছিল খুবই খারাপ ছিল, ভারসাম্যহীনতা সৃষ্টি করে। কিছু ম্যাচে ওয়াহাব রিয়াজ, টাইমল মিলসের মতো পেসারদের স্পিন বোলিং করতে বাধ্য করা হয়েছে, যাতে এমন উইকেটে খেলতে গিয়ে ব্যাটাররা চোট না পান।
বিদেশি ক্রিকেটারদের লিগে খেলানোর ব্যাপারে প্রয়োজনীয় নথি সংক্রান্ত ঝামেলাও ছিল। এনসিএলে খেলা বেশ কয়েকজন বিদেশি ক্রিকেটারের নাকি স্পোর্টস ভিসাই ছিল না। অথচ এই ভিসার জন্যে প্রায় ১ কোটি ৭০ লাখ টাকা খরচ হয়।বিদেশিদের এই ভিসা না নিয়ে অনৈতিকভাবে খরচ কমানোর চেষ্টা ছিল বলে আইসিসির দাবি।
এনসিএলের মূল প্রচারমুখ ছিলেন ওয়াসিম আকরাম এবং স্যার ভিভিয়ান রিচার্ডস। লিগের অংশীদারদের তালিকায় ছিল শচিন টেন্ডুলকার, সুনীল গাভাস্কারের মতো কিংবদন্তিদের নাম। তারপরও লিগ পরিচালনায় সমস্যা দেখা দেয়।