রবিবার (১৫ ডিসেম্বর) রাতে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিসিবি জানিয়েছে, সাকিব যেহেতু ইংল্যান্ড ও ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ডের (ইসিবি) অধীনে সব প্রতিযোগিতায় বোলিং থেকে নিষিদ্ধ হয়েছেন। বিসিবি জানায়, ‘সাকিব আপাতত বোলিং করতে না পারলেও তিনি সব ধরনের ঘরোয়া ও আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ব্যাটসম্যান হিসেবে খেলা চালিয়ে যেতে পারবেন। বিসিবি জানে যে, সাকিব শিগগিরই তার বোলিং অ্যাকশন বৈধ করার চেষ্টায় একটি আইসিসি স্বীকৃত পরীক্ষা কেন্দ্রে পুনর্মূল্যায়নের জন্য যাবেন।
বর্তমানে লঙ্কা টি-টেন লিগে গল মারভেলসের হয়ে খেলছেন সাকিব। কলম্বো জাগুয়ার্সের বিপক্ষে আজকের ম্যাচে ৩ বলে ৬ রান করেন তিনি। সেখানে কেবল ব্যাটার হিসেবেই খেলছেন তিনি।
.png)
গত সেপ্টেম্বরে সারের হয়ে সামারসেটের বিপক্ষে কাউন্টিতে একটি ম্যাচ খেলেছিলেন। ওই ম্যাচে সবমিলিয়ে ৯টি উইকেট নিয়েছিলেন সাকিব। ম্যাচের পরই তার বোলিং অ্যাকশন নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেন আম্পায়াররা। পরে ইংল্যান্ডের একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে পরীক্ষা দেন সাকিব। তাতে প্রমাণ পাওয়া গেছে, সাকিবের কনুই ১৫ ডিগ্রির বেশি বেঁকেছে বোলিংয়ের সময়।
বিসিবি জানিয়েছে, আইসিসির ১১.৪ ধারার অধীনে সাকিব আইসিসি অনুমোদিত পরীক্ষাকেন্দ্রে পুনর্মূল্যায়নের জন্য আবেদন করতে পারবেন। যদি এই পরীক্ষার ফলে তার বোলিং অ্যাকশন বৈধ বলে প্রমাণিত হয়, তবে তিনি আন্তর্জাতিক এবং সব ধরনের ঘরোয়া ক্রিকেট প্রতিযোগিতায় বোলিং করতে পারবেন।
সাকিব চেন্নাইয়ের পরীক্ষাগারে বোলিং অ্যাকশন পরীক্ষা দিতে যোগাযোগ করেছেন। যদি ভারতের ভিসা পান, তাহলে চলতি লঙ্কা টি-টেন সুপার লিগ শেষে পরীক্ষা দিতে চেন্নাইয়ে যাবেন। তার আগে ভারতের ভিসা নিতে তিনি শ্রীলঙ্কা থেকে যাবেন আরব আমিরাতে। যদি ভারতের ভিসা না পান তাহলে আবারো পরীক্ষা দিতে যেতে হবে ইংল্যান্ডেই।
আইসিসির অবৈধ বোলিং অ্যাকশনের জন্য প্রণীত নিয়মের ১১.৩ ধারা অনুযায়ী, যদি কোনো জাতীয় ক্রিকেট ফেডারেশন তার ঘরোয়া প্রতিযোগিতায় কোনো খেলোয়াড়কে বোলিং থেকে নিষিদ্ধ করে, তবে আইসিসি স্বয়ংক্রিয়ভাবে এই নিষেধাজ্ঞা আন্তর্জাতিক ক্রিকেট এবং অন্যান্য জাতীয় ক্রিকেট ফেডারেশনের ঘরোয়া প্রতিযোগিতাতেও কার্যকর হয়ে যাবে।