ঢাকা,  বুধবার   ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩

Advertisement
[ খেলা ]

পিসিবি দিচ্ছে না বাবর-রিজওয়ানদের খেলার অনুমতি

ডেইলি-বাংলাদেশ ডেস্ক
প্রকাশিত: ২৩:৫৭, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
পিসিবি দিচ্ছে না বাবর-রিজওয়ানদের খেলার অনুমতি
ছবি: সংগৃহীত

পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) আফগানিস্তান প্রিমিয়ার লিগের (এপিএল) আসন্ন আসরে পাকিস্তানি ক্রিকেটারদের অংশগ্রহণের অনুমতি না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে । দেশটির সংবাদমাধ্যমের বরাত দিয়ে ক্রিকেট অ্যাডিক্টর জানিয়েছে, এপিএলে খেলতে কোনো পাকিস্তানি ক্রিকেটারকে অনাপত্তিপত্র (এনওসি) দেবে না পিসিবি।

আফগানিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (এসিবি) চলতি বছর এপিএল টি-টোয়েন্টি পুনরায় আয়োজনের ঘোষণা দিয়েছে। সংস্থাটির পরিকল্পনা অনুযায়ী, বছরের শেষ দিকে সংযুক্ত আরব আমিরাতে শুরু হবে টুর্নামেন্টটি। এবারের আসরে পাঁচটি ফ্র্যাঞ্চাইজি অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে।

Advertisement

ইতোমধ্যে এপিএলের দুই দল ‘বালখ জওয়ানান’ ও ‘কান্দাহার ওয়ারিয়র্স’ চার পাকিস্তানি ক্রিকেটারের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিল। পাশাপাশি কোচিং স্টাফে যুক্ত করার জন্য সাবেক দুই পাকিস্তানি ক্রিকেটারের সঙ্গেও আলোচনা করা হয়েছিল।

তবে পাকিস্তান সরকারের পক্ষ থেকে পিসিবিকে জানানো হয়, বর্তমান বা সাবেক কোনো পাকিস্তানি ক্রিকেটারকেই এপিএলের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার অনুমতি দেওয়া যাবে না। এর ফলে খেলোয়াড় ও কোচ মিলিয়ে করা ছয়টি প্রস্তাবই আর এগোয়নি। পিসিবিও সংশ্লিষ্টদের এনওসি না দেওয়ার সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছে।

পিসিবির একটি সূত্রের দাবি, ক্রিকেটারদের স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, এপিএলের সঙ্গে কোনো ধরনের সম্পৃক্ততা রাখা যাবে না। পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের মধ্যে চলমান রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক উত্তেজনাই এই সিদ্ধান্তের মূল কারণ বলে জানা গেছে।

এর আগে পিএসএল ২০২৬ ঘিরেও দুই দেশের ক্রিকেটীয় সম্পর্কে টানাপোড়েন দেখা দিয়েছিল। কয়েকজন শীর্ষ আফগান ক্রিকেটার পাকিস্তান সুপার লিগ থেকে সরে দাঁড়ান। পরবর্তীতে বিদেশি টি-টোয়েন্টি লিগে আফগান ক্রিকেটারদের অংশগ্রহণ নিয়েও এসিবি কিছু বিধিনিষেধ আরোপ করে।

সাম্প্রতিক সময়ে পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের রাজনৈতিক সম্পর্কের অবনতিও ক্রিকেটীয় সিদ্ধান্তে প্রভাব ফেলছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে। পাকিস্তান দীর্ঘদিন ধরে আফগানিস্তানের তালেবান সরকারের বিরুদ্ধে তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তানকে (টিটিপি) আশ্রয় দেওয়ার অভিযোগ করে আসছে। তবে আফগান সরকার এ অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

সীমান্তে সংঘর্ষ, সামরিক অভিযান এবং ডুরান্ড লাইন নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধের কারণে দুই দেশের সম্পর্ক আরও জটিল হয়েছে। এরই মধ্যে সেই রাজনৈতিক উত্তেজনার প্রভাব দুই দেশের ক্রিকেটীয় সম্পর্কেও পড়তে শুরু করেছে।

ডেইলি-বাংলাদেশ/এমএ
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!