ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ শিল্প ও সাহিত্য ]

পরিতোষ হালদারের কবিতা

শিল্প ও সাহিত্য ডেস্ক
প্রকাশিত: ১১:৩১, ১১ নভেম্বর ২০২২
পরিতোষ হালদারের কবিতা
ছবি: অন্তর্জাল

নিষাদ

তিনি অক্ষক্রীড়া জানেননা, কিন্তু অশ্বচালন জানেন। তিনি নিষাদ― উপনিষদ তার আশ্রয়। 

যা কিছু গতি সেও স্থিতি দেয়, তাকে মৃত বলে জানো।
শব দেখ, আর পৌঁছে যাও শব্দের বাড়ি।

Advertisement

পূর্ণ যিনি দৃশ্যের ভেতর তিনি অদৃশ্য দেখে। তাকে কুঞ্জে ডাকো, 
সর্বত্র ধ্বনিত হোক নাচ। 

আদিতে পাপ ছিল, সবকিছুর উৎসে পাপীরা বিরাজমান। তাদের জল দাও, মদ ও মুদ্রা দাও। 
এভাবে―
পর্বে পর্বে বার্তা পেয়ে যত গুণিজন, নিজ হাতে পুষ্প ধরি করিল গমন।


বিন্যাস

পরিতোষ হালদার 

              তুমি চাঁদ হলে
              চাঁদ খুব আলো দিত
যে পথে ছলনা যায়, সে পথে স্পর্শ যায়না...     কেন?

ইজেলের পাশে রং, ছায়া আর কয়েকটি এপিক, 
          যেখানে আকাশ ডাকে
          সেখানে ডানার শব্দ
এক ছবি, দুই ছবি, তিন ছবি রাত। চলো যাই―
ব্রহ্মপাতায় গোপন জল, নির্জনতা ছলাৎ-ছল। 

এগার ঘরের কোনো পাখি তিরিশে উড়াল শিখে, সপ্তমে একা হয়।
আমি থেকে তুমি অব্দি সমস্ত তুমিও একা।

গান ধরো, চারুকলায় ঢুকিয়ে দাও দৌড়ের ঘোড়া। তাকে রং শেখাও। 
           বলো― শিল্পও ঘাস...


তবু ম্যাজিক

পরিতোষ হালদার 

         আমি নিশ্চত 
         ম্যাজিক কেউ বোঝেনা

একদিন জুয়ারি ছিলাম, মিথ্যার কাছাকাছি যেকোন পাথর।
রঙ ফিরে গেলে আজও সাদা হয়ে থাকি।

নিজের নামের মতো ভোর। রোদ আসবে বলে আসে, তবু মোড়ে মোড়ে অপেক্ষা পাঠিয়ে দাও। 
দৃষ্টিতে নয় স্পর্শে দেখ, হাতে হাতে ফুটে আছে আঙুলপাখি। 

         আমি নিশ্চত 
         কেউ কেউ মৌন বোঝে

জল্লাদের চোখে জন্ম থাকে, কে জানে বিশাল মঞ্চে সেও পিতা, পুত্র অথবা অশোকছায়া।

ডেইলি-বাংলাদেশ/এস
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!