শুক্রবার দিনব্যাপী এই আয়োজনে পাঠকরা তাদের পড়া হয়ে যাওয়া কিংবা বাসায় পড়ে থাকা বই নিয়ে আয়োজকদের কাছ থেকে নতুন বই সংগ্রহ করতে পারছেন। আয়োজনকে ঘিরে রংপুরের পাঠকদের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা গেছে।
আয়োজকরা জানান, দিনব্যাপী এই আয়োজনে পাঁচ হাজার কপি বই বিনিময়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়। যার আর্থিক মূল্য হতে পারে প্রায় পাঁচ লাখ টাকা এবং সারাদিনে ১২ থেকে ১৫ হাজার মানুষের সমাগম হয়েছে।
.png)
বই বিনিময় উৎসবের প্রধান সমন্বয়ক মাসুম মনোয়ার জানান, বইকে মানুষের কাছে সহজলভ্য করে দিতেই আমাদের এমন আয়োজন। বই থেকে মানুষ দিনদিন দূরে সরে যাচ্ছে। ইন্টারনেটের সহজলভ্যতা যেন আমাদের পাঠকদের দূরে সরাতে না পারে তাই এমন আয়োজন।
অদম্য-১৯ এর পরিচালক তায়েব মৃধা জানান, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির এই সময়ে মানুষের ইচ্ছে থাকার পরও নতুন বই কিনে পড়তে পারছেন না। এসব পাঠকদের কাছে বই পৌঁছে দিতেই আমাদের এমন ব্যতিক্রমী আয়োজন।
রুপান্তরের প্রতিষ্ঠাতা নাফিজ জানান, লোকাল মানুষদের বইয়ের প্রতি আগ্রহের প্রতি লক্ষ্য রেখেই আমরা এই আয়োজনে সম্পৃক্ত হয়েছি। এই আয়োজন রংপুরের পাঠকদের মাঝে প্রাণের সঞ্চার করেছে।
‘বই বিনিময় উৎসব-রংপুর’ আয়োজন সহযোগী হিসেবে যুক্ত ছিল, সম্মিলিত পাঠাগার আন্দোলন, প্রকাশনা সংস্থা বইবাড়ি, স্বপ্ন-৭১, টুগুমুগু এবং অদম্য-১৯ পাঠাগার।
উল্লেখ্য, অদম্য-১৯ তরুণদের দ্বারা পরিচালিত একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন। যা সারাদেশে জলবায়ু পরিবর্তন, কোয়ালিটি এডুকেশন এবং নারীর মাসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষা এবং ক্ষমতায়নে ২০১৮ সাল থেকে কাজ করে যাচ্ছে।