নানা ব্যস্ততার মাঝেও নিয়মিত কবিতা-ছড়া লিখে এরমধ্যেই সংস্কৃতিমনাদের প্রশংসা কুড়িয়েছেন মুহাম্মদ শরীফ। তাদের কারো কারো কাছে কবি হিসেবেও পরিচিত তিনি। প্রেম, বিরহ, কষ্ট, যাতনা, সংস্কৃতি, জীবনবোধসহ নানান বিষয়ের ওপর এ পর্যন্ত লিখেছেন দুই শতাধিক কবিতা।
এবার পাঠকদের ভালোবাসা ও স্ত্রীর প্রেরণা, দুটিকে এক করে ভিন্ন কিছু করতে যাচ্ছেন মুহাম্মদ শরীফ। এবারের একুশে বইমেলায় মোড়ক উন্মোচনের অপেক্ষায় তার প্রথম কবিতার বই ‘সমুদ্রের কাছে যাবো’।
.png)
প্রথমবারের মতো বই প্রকাশ হতে যাওয়ায় বেশ উচ্ছ্বসিত মুহাম্মদ শরীফ। প্রতিবেদকের সঙ্গে আলাপচারিতায় জানিয়েছেন তার প্রতি পাঠকের ভালোবাসা, স্ত্রীর অসীম প্রেরণা ও সর্বোপরি নিজের আনন্দ-অনুভূতির কথা।
মুহাম্মদ শরীফ বলেন, আমার বই প্রকাশ করাটা কাকতালীয়। হঠাৎ করেই হয়ে গেছে। এর পেছনে আমার স্ত্রীর অবদান অনেক বেশি। বেশকিছু সাংবাদিক, লেখক ও কলামিস্ট বন্ধুদের দেখে আমি অনুপ্রাণিত হই। বলতে গেলে তাদের লেখায় মুগ্ধ হয়েই আনুষ্ঠানিকভাবে লেখালেখি শুরু করি। এখন আমি আমার অভিজ্ঞতার আলোকে লিখি।
তিনি বলেন, বন্ধুদের কাছে আমি ঋণী। তারা সবসময় আমার পাশে ছিলেন। ফেসবুক বন্ধুরাও আমাকে প্রচুর উৎসাহ যুগিয়েছেন। আশা করছি, এভাবে তাদেরকে সবসময় পাশে পাবো।
দুই কন্যাসন্তানের জনক মুহাম্মদ শরীফ। স্ত্রী ও কন্যাদের নিয়ে সুখের সংসার তার।
মুহাম্মদ শরীফ বলেন, আমরা ক্ষুধামুক্ত বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখি, স্বপ্ন দেখি প্রতিটি মায়ের কোল হবে নিরাপদ, সমাজে অন্যায়-অনাচার থাকবে না। এমন সুসময়ে অখণ্ড অবসরে বসে লিখবো আনন্দের কবিতা। কারণ- কবিতার আরেক নামই আনন্দ।