পাটওয়ারীর ওপর হামলায় বিএনপির সম্পৃক্ততা নেই: রাশেদ খাঁন
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর কুষ্টিয়ার লালন শাহের মাজারে হামলা ও গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনায় বিএনপি বা অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের কোনো সম্পৃক্ততা নেই বলে দাবি করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী মো. রাশেদ খাঁন।
রোববার (৪ অক্টোবর) রাতে নিজের ভেরিফায়েড সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ দাবি করেন। তাঁর ভাষ্য, লালন শাহের মাজার থেকে ফেরার সময় এনসিপির নেতাকর্মীদের সঙ্গে কয়েকজন ব্যক্তির বাকবিতণ্ডা হয়। সেখান থেকেই গাড়ি ভাঙচুরের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে।
.png)
রাশেদ খাঁন বলেন, নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী আগের দিন থেকে কুষ্টিয়ায় অবস্থান করছিলেন এবং বিভিন্ন এলাকায় ঘুরেছেন। তবে এ সময় বিএনপি বা অঙ্গসংগঠনের কেউ তার সঙ্গে কোনো ঝামেলায় জড়াননি। রোববার রাতে তিনি এনসিপির নেতাকর্মীদের সঙ্গে লালন শাহের মাজারে যান।
তিনি আরও দাবি করেন, ঘটনার বিষয়ে কুষ্টিয়ার স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তা ও বিএনপি নেতাদের সঙ্গে তিনি কথা বলেছেন। নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী মাজারে যাওয়ার বিষয়টি প্রশাসনকে আগে জানানো হয়নি বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
ঘটনার পর পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে যায় জানিয়ে রাশেদ খাঁন বলেন, নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী কিছুটা সময় পুলিশের নিরাপত্তায় থাকার পর গাড়ি পরিবর্তন করে দ্রুত ওই এলাকা ত্যাগ করেন। কেন তিনি এভাবে স্থান ত্যাগ করলেন, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
এর আগে রোববার সন্ধ্যা সোয়া ৭টার দিকে কুষ্টিয়ার কুমারখালীর ছেঁউড়িয়ায় লালন শাহের মাজার প্রাঙ্গণে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর হামলা ও তাঁর গাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগ ওঠে। ঘটনার পর সেখানে কিছু সময় উত্তেজনা তৈরি হয়। পরে পুলিশ ও স্থানীয়দের সহায়তায় রাত ৮টার দিকে তিনি মাজার প্রাঙ্গণ ত্যাগ করেন।
তবে হামলার পর এনসিপির পক্ষ থেকে বিএনপির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলা হয়েছিল। বিভিন্ন প্রতিবেদনে দলীয় সূত্রের বরাত দিয়ে এমন দাবির কথা এসেছে। অভিযোগটির বিষয়ে বিএনপি বা রাশেদ খাঁনের বক্তব্যই বর্তমানে অস্বীকৃতির অবস্থান হিসেবে সামনে এসেছে।