মেলা ঘুরে দেখা গেছে, চট্টগ্রামসহ ঢাকার বিভিন্ন প্রকাশনী স্টল নিয়েছে। পাঠকদের উপস্থিতি সম্পর্কে সালাফি পাবলিকেশন্সের মিনহাজুল ইসলাম মাসুম বলেন, আমারা পাঠকদের প্রচুর সাড়া পাচ্ছি প্রথম দিন থেকে। তবে ছুটির দিনে পাঠক-দর্শনার্থীদের উপস্থিত ভালো হয়। অন্যদিকে মেলার দিন যত যাচ্ছে বিক্রি তত বড়ছে। ঢাকা বইমেলার মতো অতটা বিক্রির আশা না করলেও চট্টগ্রাম অনুসারে ভালো বিক্রি হচ্ছে।

.png)
অন্যদিকে ঢাকা বইমেলার সঙ্গে চট্টগ্রাম বইমেলায় পার্থক্য তুলে ধরেছেন কবি ও কথাসাহিত্যিক সুজন আহসান। তিনি বলেন, ঢাকা বইমেলায়তুলনায় আমাদের মেলাটির প্রচার-প্রচারণা অনেক কম। একই সঙ্গে প্রাঙ্গণে কথা যদি বলি আপনি ৫-৭ মিনিটের ভেতরে মেলাটি ঘুরে দেখতে পারবেন। আমরা টেলিভিশন বা বিভিন্ন প্রচার মাধ্যমে দেখতে পাই ঢাকায় নতুন-পুরাতন লেখকদের নিয়ে মিডিয়ার তৎপরতা প্রচুর। সঙ্গে শিশুদের খেলাধুলা এবং বইয়ের জন্য রয়েছে আলাদা স্টল। কিন্তু এখানে সে ধরনের কোনো ব্যবস্থাও নেই।
তিনি আরো বলেন, আমরা যাদের বই পড়ে বড় হয়েছি ঢাকায় তাদের সরাসরি দেখারও যায়। তাদের সঙ্গে কথা বলেও অনেক কিছু জানা যায়। কিন্তু এখানে সেটি সম্ভব নয়। যদি ওনারা চট্টগ্রামে এসে একটু সময় দেন সেক্ষেত্রে আমাদের নতুন প্রজন্ম বইমেলার প্রতি আরো আকৃষ্ট হবে বলে বিশ্বাস করি।
মেলার পরিবেশ নিয়ে চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী প্রকাশনী বলাকা'র জামাল উদ্দিন বলেন, আমাদের মেলার বিস্তৃতি খুব বেশি না হওয়ায় বেশ গোছালো। পাঠক সহজেই তার পছন্দের বই খুঁজে পাবে। আবার মাঠের বামদিকে বইমেলা উপলক্ষে প্রতিদিন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হচ্ছে। যা সবার জন্য উন্মুক্ত। অন্যদিকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতাও লক্ষণীয়।
বন্দরনগরী চট্টগ্রামের বইমেলা ২০ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হয়ে চলবে ১০ মার্চ পর্যন্ত। প্রতিদিন মেলা শুরু হয় বিকেল তিনটা থেকে এবং চলে রাত ৯টা পর্যন্ত। ছুটির দিনে মেলা শুরু হয় সকাল ১০টা থেকে। মেলায় লেখক-পাঠক-দর্শনার্থীদের সেবার জন্য আছে তথ্যকেন্দ্র, সাংস্কৃতিক মঞ্চ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।