শনিবার সকালে দুলাল ভক্ত জানান, মুন্না গোয়ালন্দ আইডিয়াল হাইস্কুল থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত লেখাপড়া করেছিল। এরপর আমার স্ত্রীর মেজভাই যতন কুমার লালের সঙ্গে মর্গে ডোমের সহযোগী হয়ে দেড়বছর ধরে তার বাসায় থেকে কাজ করতো।
দুলাল ভক্ত বলেন, শুক্রবার মানুষের মুখে শুনলাম, আমার ছেলে মুন্না ভক্ত বড় একটা অপকর্ম করেছে। আর মানুষজন সেটা শুনে ছি ছি করছে! মুন্না যদি বড় কোনো অপকর্ম করে, তাহলে আমি তার বিচার দাবি করি।
.png)
স্থানীয় বাসিন্দা অনিল ভক্ত বলেন, মুন্নার আচরণ আগে থেকেই খারাপ ছিলো, মাঝে মাঝে সে নেশা করতো বলে শুনতাম। পরে আমাদের এখান থেকে সে ঢাকায় চলে যায়। তবে মুন্না যে ধরনের অপকর্ম করেছে এইজন্য অবশ্যই তার বিচার হওয়া উচিত।
গোয়ালন্দ পৌরসভার ৬নং ওয়ার্ডের জুরান মোল্লাপাড়ার সুইপার কলোনির বাসিন্দা মিঠু ভক্ত বলেন, কোনো মানুষ যে এমন জঘন্য কাজ করতে পারে, সেটা আমার জীবনে এই প্রথম শুনলাম, তার এ অপকর্মের কথা মুখে আনাও আমাদের পাপ।