এছাড়া পাওয়া গেছে ট্রেড গাইডলাইন বুক, ইভ্যালির খামে রাখা খালি ভাউচারসহ অপ্রয়োজনীয় নানা কাগজ।
আলোচিত ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানটির দ্বিতীয় লকার ভেঙে প্রথম লকারের মতো কোনো মূল্যবান সম্পদ বা অর্থ পায়নি ইভ্যালির পরিচালনায় গঠন করা বোর্ড।
.png)
আরো পড়ুন: ইভ্যালির লকার কেটে যা পাওয়া গেল
সোমবার বেলা ৩টায় ইভ্যালির ধানমন্ডি কার্যালয়ে ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে দুটি লকার ভাঙার কাজ শুরু করে বোর্ডের পরিচালক ও সদস্যরা।
প্রথম লকার ভাঙতে সময় লাগে ৪৫ মিনিট। পরে লকারের ভেতর পাওয়া যায় সিটি ব্যাংক, মিডল্যান্ড ব্যাংকের বেশ কয়েকটি ব্লাংক চেক, ড্রাইভিং লাইসেন্স ও বাচ্চাদের পড়ার বই। লকারে কোনো ধরনের অর্থ পায়নি বোর্ড।