রোববার দুপুরে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের এয়ার ফ্রেইট থেকে দুটি তৈরি পোশাক কারখানার জন্য আমদানি করা কাপড়ের ভাঁজ থেকে এসব বার উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে ফিরোজ আলম (২৫) ও নিয়ামত উল্লাহ (৪০) নামের দুজনকে গ্রেপ্তারও করা হয়েছে।
কাস্টমস ও গোয়েন্দা অধিদপ্তরের উত্তরা এয়ার ফ্রেইট ইউনিটে এক সংবাদ সম্মেলনে অভিযানের বিস্তারিত তুলে ধরা হয়। অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. আব্দুর রউফ জানান, কাপড়ের ভাঁজে স্কচ টেপ মোড়ানো চারটি বান্ডিল থেকে ৬৪টি এবং আটক দুজনের কাছ থেকে ৩২টি স্বর্ণের বার পাওয়া যায়।
.png)
“এসব বারের ওজন প্রায় ১১ কেজি। বর্তমান বাজার মূল্য প্রায় আট কোটি টাকা।“ ইস্টার্ন অ্যাপারাল লিমিটেড ও বেসটেক বিডি লিমিটিড নামের দুটি প্রতিষ্ঠানের নামে আমদানি করা গার্মেন্ট সামগ্রীর আড়ালে অবৈধভাবে এসব স্বর্ণের বার আনা হচ্ছিল বলে জানান তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, ফিরোজ ও নিয়ামত মাসফি এন্টারপ্রাইজ নামের একটি সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টের কর্মী। তারা গার্মেন্ট কোম্পানি দুটির হয়ে কাজ করছিল বলে ।
ইস্টার্ন অ্যাপারালে ঢাকার শ্যামলীতে এবং বেসটেক বিডি চট্টগ্রামের কর্ণফূলী ইপিজেডের ঠিকানা ব্যবহার করে এসব কাপড় আমদানি করে।
“ইস্টার্ন অ্যাপারেলসের নামে আসা কাপড়ের ভাঁজে ৬৪টি পাওয়া যায় এবং বেসটেক বিডির নামে আসা কাপড়ের ভাঁজ থেকে ৩২টি বার বের করে পালিয়ে যাওয়ার সময় ফিরোজ ও নিয়ামত ধরা পড়েন।”
গ্রেপ্তার দুজনের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া ছাড়াও আমদানিকারক দুই প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধেও আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়।