গত রোববার রাতে রাজধানীর মধ্যবাড্ডার গুদারাঘাট এলাকার একটি ফ্ল্যাট থেকে ঐ নারীর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। আফরোজা সেভেন সার্কেল বাংলাদেশ লিমিটেডের এমআইএস ডিপার্টমেন্টের ডেপুটি ম্যানেজার হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
আফরোজার হত্যা রহস্য উদঘাটনে কাজ শুরু করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একাধিক টিম। গ্রেফতার করা হয় আফরোজার গাড়ি চালক হৃদয়কে। তাকে নিয়ে অভিযানে নামে পুলিশ। উদ্ধার হয় হত্যায় ব্যবহৃত চাকু, স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকা।
.png)
মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার হাফিজ আক্তার জানান, চালক হৃদয় অনলাইন জুয়ায় আসক্ত ছিলেন। পরিকল্পনা ছিল আফরোজাকে হত্যা করে তার কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ সোনা ও নগদ টাকা লুট করে নেয়া
তিনি আরো জানান, হত্যার আগে ঐ নারীর কাছ থেকে কয়েক দফায় টাকা ধারও নিলেও তা পরিশোধ করেননি গাড়ির চালক হৃদয়।
এদিকে আফরোজা সুলতানা হত্যা মামলায় গাড়িচালক হৃদয়ের পাঁচদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। বুধবার ঢাকার অতিরিক্ত মহানগর হাকিম আসাদুজ্জামান নূরের আদালত এ রিমান্ড মঞ্জুর করেন।