বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১১টার পুরো ঘটনা ধরা পড়ে সিসি ক্যামেরায়। ফুটেজে দেখা যায়, ডাচ্-বাংলা ব্যাংকের এটিএম বুথে টাকা তুলতে ঢোকেন টাইলস ব্যবসায়ী শরিফুল্লাহ। ঠিক তার পেছনেই দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায় গলায় গামছা, চোখে চশমা আর মুখে মাস্ক পরা মো. আবদুস সামাদকে। বুথ থেকে শরিফুল্লাহ বের হলে পেছনের দাঁড়িয়ে থাকা ব্যক্তিকে ধারালো ছুরি বের করতে দেখা যায়। মুর্হূতে শরিফুল্লাহর গলায় ছুরি চালান সে। একপর্যায়ে ব্যবসায়ী মেঝেতে পরে গেলে টাকা নিয়েই পালিয়ে যেতে দেখা যায় সামাদকে। রক্তক্ষরণে বুথের ভেতরেই মৃত্যু হয় শরিফুল্লাহর।
জানা যায়, হত্যাকাণ্ডের আগে বুথের নিরাপত্তায় থাকা শফিয়ার রহমানকে ধাক্কা দিয়ে বুথের ভেতরে যায় ঘাতক। পরে শরিফুল্লাহকে টাকা তুলতে বাধ্য করে সে। টাকা নিয়ে পালিয়ে যাওয়ার সময় স্থানীয় জনতা ধরে ফেলে ঘাতক আবদুস সামাদকে।
.png)
উত্তরা পশ্চিম থানার ওসি মোহাম্মদ মহসিন জানান, নিহতের ভাই আনোয়ার হোসেন বাদী হয়ে হত্যা মামলা করেন। নিহতের হত্যার ঘটনায় একজন আসামি গ্রেফতার করা হয়েছে। হত্যায় ব্যবহৃত রক্তমাখা ছুরি উদ্ধার করা হয়েছে। শুক্রবার ১৬৪ ধারায় হত্যার দায় স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দিয়েছে ঘাতক।
জানা গেছে, শরিফ উল্লাহ লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ থানার মধুপুর গ্রামের মৃত মোহাব্বত আলীর ছেলে। উত্তরা ১২ নম্বর সেক্টরের ৬/সি সড়কের ২৪ নম্বর প্লটে টাইলসের ব্যবসা করতেন তিনি। তার প্রতিষ্ঠানের নাম জাকিয়া টাইলস গ্যালারি অ্যান্ড স্যানিটারি।