আহত হাসানকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিলে চিকিৎসক ভোর ৬টায় তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
মৃত হাসানের ভাই রাজু বলেন, আমার ভাই জনতাবাগ হাইস্কুলের বাণিজ্য বিভাগের দশম শ্রেণির ছাত্র ছিল। আজ ভোররাতে সে নিজের রুমে গলায় ফাঁস দেয়। পরে আমরা দেখতে পেয়ে তাকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে গেলে চিকিৎসক জানায় আমার ভাই বেঁচে নেই।
.png)
রাজু আরো জানান, আমাদের সঙ্গে এমন কোনো ঘটনা ঘটেনি যে সে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করবে। কী কারণে সে গলায় ফাঁস দিল, সেটা বুঝতে পারছি না।
দুই ভাই এক বোনের মধ্যে হাসান ছিল সবার ছোট। কদমতলীর রায়েরবাগ জনতাবাগে একটি টিনশেড বাসায় ভাড়া থাকত তারা। হাসানের বাবার নাম ইলিয়াস হোসেন।
ঢামেক হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের পরিদর্শক বাচ্চু মিয়া বলেন, মরদেহটি হাসপাতালের জরুরি বিভাগের মর্গে রাখা হয়েছে। আমরা বিষয়টি কদমতলী থানা-পুলিশকে জানিয়েছি।