বৃহস্পতিবার ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ঐ শিক্ষার্থী মারা যান। ইসরাতের গ্রামের বাড়ি পটুয়াখালী সদর উপজেলায়। তিনি পরিবারের সঙ্গে বাড্ডায় থাকতেন। দুই বোনের মধ্যে তিনি ছিলেন বড়।
ইসরাতের বাবা হুমায়ুন কবির সংবাদমাধ্যমে বলেন, ইসরাত একটু রাগি ছিল। সেশন জটের কারণে তার বিবিএ পরীক্ষা দেওয়া হয়নি। বুধবার রাতে তিনি কর্মস্থল থেকে বাড়িতে এসে দেখেন ইসরাত ঘুমিয়ে আছে। তখনো তিনি বুঝতে পারেননি ইসরাত ঘুমের ওষুধ সেবন করেছে।
.png)
তিনি আরো জানান, রাতে ইসরাতের মুখ দিয়ে লালা বের হচ্ছিল। পরে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হলে তার পাকস্থলী পরিষ্কার করে মেডিসিন বিভাগে ভর্তি করা হয়।
হুমায়ুন কবির জানান, আগেও একবার এমন করেছিল ইসারাত। একটু শাসন করতে গেলেই সে এমন কাজ করে।
বাড্ডা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. বেলাল হোসেন জানান, মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।