রোববার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। পরে বিকেল সোয়া ৪টায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) মর্গে পাঠায় পুলিশ।
মৃত শ্যামলীর স্বামী ইকবাল বলেন, আমি এপেক্স কোম্পানিতে চাকরি করি। আমার এক ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে। প্রতিদিনের মতো আমি অফিসে চলে যাই। আমার ছেলে মেয়ে বাইরে থেকে এসে দেখে দরজা বন্ধ। পরে অনেক ডাকাডাকি করলেও দরজা না খোলায় পরে দরজা ভেঙে দেখা যায় ফ্যানের সঙ্গে গলায় ফাঁস দিয়ে ঝুলছে। পরে পুলিশকে খবর দেওয়া হলে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেলে পাঠায়।
.png)
তিনি আরো বলেন, সে বিভিন্ন সমিতি করতো। বিভিন্ন সময় সমিতি থেকে লোন নিয়ে সেই লোন শোধ করতে পারেনি। এজন্য সে মানসিকভাবে হতাশাগ্রস্ত ছিল।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে চকবাজার থানার এসআই রুবেল খান বলেন, পরিবারের সঙ্গে কথা বলে জানা যায় তিনি ঋণগ্রস্ত ছিলেন। ঋণের টাকা শোধ করতে না পারায় মানসিক চাপে এই ঘটনা ঘটে থাকতে পারে।
ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে বলে জানান তিনি।