এয়ারপোর্ট আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জিয়াউল হক জানান, দুবাই থেকে এমিরেটস এয়ারলাইন্সের ইকে-৫৮২ ফ্লাইটে দুপুর ১২টা ২০ মিনিটে ঢাকায় আসেন সাদ্দাম ও নিজাম। লাগেজ বেল্ট থেকে লাগেজ সংগ্রহকালে এপিবিএনের সদস্যরা দেখতে পান অভিযুক্তরা লাগেজ নেয়ার ট্রলি টেম্পারিংয়ের চেষ্টা করছেন। এরপর বিমানবন্দরের গ্রিন চ্যানেল অতিক্রমকালে তাদের আটক করে এপিবিএন অফিসে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তারা নিজেদের কাছে সোনা থাকার কথা স্বীকার করেন।
তিনি আরো জানান, সাদ্দাম হোসেন ও নিজাম খন্দকারের সঙ্গে থাকা ট্রলি, ব্যাগ এবং হাত ঘড়ির মধ্যে বিশেষ কৌশলে লুকানো অবস্থায় সোনার বারগুলো উদ্ধার করা হয়। এছাড়া সোনার প্লেটও উদ্ধার করা হয়। এই প্লেট সাদা রঙের হলেও রাসায়নিক পরীক্ষা করে তা ২৪ ক্যারেটের স্বর্ণ বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে। উদ্ধারকৃত সোনার ওজন ১ কেজি ১১১ গ্রাম। এর বাজার মূল্য প্রায় ১ কোটি ১০ লাখ টাকা।
.png)
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জিয়াউল হক জানান, সাদ্দাম হোসেনের কাছ থেকে ৪২০ গ্রাম এবং নিজাম খন্দকারের কাছ থেকে ৬৯১ গ্রাম সোনা উদ্ধার করা হয়। দুজন দুবাই থেকে একই ফ্লাইটে আসেন। আটককৃতদের বিরুদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা করা হয়েছে।