আটক পরিচ্ছন্নতাকর্মী লক্ষ্মীপুর জেলার রামগঞ্জ উপজেলার বাসিন্দা।
সোমবার বিমানবন্দর শুল্ক গোয়েন্দা অধিদফতরের উপ-পরিচালক সানজিদা শারমিন সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
.png)
শুল্ক ও গোয়েন্দা অধিদফতর সূত্রে জানা গেছে, কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতরের মহাপরিচালকের কাছে গোপন তথ্য আসে কাতার থেকে আগত একটি ফ্লাইটে (নং বিএস-৩৩৪) সোনা চোরাচালান হতে পারে এমন তথ্যের ভিত্তিতে বিমানবন্দর কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতর বি-শিফট এর কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা ফ্লাইটটি অবতরণের পর তাৎক্ষণিকভাবে শিফট ইনচার্জের নেতৃত্বে আনুমানিক সকাল ৯টার দিকে বিমানটিতে বিশেষ তল্লাশির জন্য প্রবেশ করেন।
পরে বিমানের সিটে (নম্বর ২৮/এ) এবং ও বে-২০ এর ডাস্টবিনও তল্লাশি করা হয়। এ সময় ডাস্টবিনের দায়িত্বপ্রাপ্ত পরিচ্ছন্নতাকর্মীকে শনাক্ত করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। পরে জব্দকৃত সোনার বারের বিষয়ে একটি বেসরকারি এয়ারলাইন্সে কর্মরত সন্দেহভাজন কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।
পরিচ্ছন্নতাকর্মী জামালকে জিজ্ঞাসাবাদের এক পর্যায়ে তিনি সোনা বহন করার কথা স্বীকার করেন এবং ৯ নম্বর বোর্ডিং ব্রিজ সংলগ্ন ময়লার স্তূপ থেকে কালো স্কচটেপে মোড়ানো দুটি ধাতব বস্তু থেকে ৬০টি সোনার বার পাওয়া যায়। যার মোট ওজন ৬ হাজার ৯৬০ গ্রাম। এ সোনার আনুমানিক বাজার মূল্য ৫ কোটি ৪০ লাখ টাকা মাত্র।
আটক পরিচ্ছন্নতাকর্মীর বিরুদ্ধে ফৌজদারি এবং বিভাগীয় মামলা দায়েরের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন। জব্দ করা সোনারবারগুলো কাস্টম হাউসের শুল্ক গুদামে জমা দেওয়া হয়েছে বলেও জানায় কর্তৃপক্ষ।