ক্রেতারা অভিযোগ করছেন, সিন্ডিকেট করে দাম বাড়ানোর জন্যই বাজারে বড় গরুর পরিমাণ বেশি। তবে বেপারিরা বলছেন, ছোট-মাঝারি গরু না থাকলেও বড় গরুর অভাব নেই।
গাবতলী হাটে গরু কিনতে আসা আনিস মাহমুদ বলেন, কৃত্রিম সংকট করে গরু বেশি দামে বিক্রির চেষ্টা করছেন বিক্রেতারা। বাজার ফাঁকা করে বেশি দামে গরু বিক্রি করে অতিরিক্ত লাভের আশা করছেন বেপারিরা।
.png)
হাটে পশুর সংকট ও বাড়তি দামের কথা স্বীকার করেছেন অনেক বেপারিই। আবার অনেকেই শেষের অনিশ্চয়তায় লোকসানের ভয়ে আগেভাগেই পশু বিক্রি করে দেওয়ার কথাও জানিয়েছেন।
বাজার ঘুরে দেখা গেছে, হাটগুলোতে ছোট ও মাঝারি আকারের গরুর সংকট থাকলেও বড় গরুর অভাব নেই। বেপারিরা বলছেন, দাম করলেও এসব গরুতে ক্রেতাদের আগ্রহ কম।
প্রাণিসম্পদ অধিদফতরের হিসাব অনুযায়ী, দেশে কোরবানিযোগ্য পশু আছে ১ কোটি ২৯ লাখ ৮০ হাজার ৩৬৭টি। এর আগে কখনো দেশীয় উৎস থেকে এতসংখ্যক কোরবানিযোগ্য পশুর জোগান ছিল না।