বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের এক গবেষণায় এমন তথ্য মিলেছে। সম্প্রতি সংস্থাটির কার্যালয়ে 'পথ খাবারে মাইক্রোবিয়াল বিপদ এবং রেস্টুরেন্টে রেডি টু ইট সালাদ আইটেম ও এসবের সম্ভাব্য ঝুঁকি বিশ্লেষণ'- শীর্ষক গবেষণার প্রতিবেদন প্রকাশ হয়।
গবেষণায় ৬ ধরনের খাবারে ৪৫০ স্যাম্পল নেয়া হয়।
.png)
গবেষণাপত্রে জানানো হয়েছে, দূষিত পানি, নোংরা গামছা, অপরিষ্কার হাত, ধুলাবালিময় পরিবেশের কারণে এই ধরনের জীবাণু খাবারে মিশে যাচ্ছে। বিক্রেতাদের পরিচ্ছন্নতা ও স্যানিটেশন সম্পর্কে ধারণা কম থাকায় খাবারে সহজেই জীবাণু ছড়িয়ে পড়ছে। বিক্রেতারা স্বাস্থ্যবিধি না মানায় জুসের মগ ও গ্লাস জীবাণুবাহী হয়ে পড়ে।
এতে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সেন্টার ফর এডভান্সড রিসার্স সায়েন্স এর প্রধান বিজ্ঞানী মো. লুতফুল কবীর।
মো. লুতফুল কবীর বলেন, এসব খাবারে ই-কোলাই ও সালমেনেলার মতো মানবদেহের জন্য ক্ষতিকর জীবাণু পাওয়া গেছে। এসব খাবার খেয়ে মানুষ সংক্রামিত হচ্ছে। এছাড়া বিশুদ্ধ পানির অভাব রয়েছে এবং বিক্রেতারা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার নিয়ম মানেন না।
এসময় তিনি পথখাবার নিরাপদ করতে বিক্রেতাদের প্রশিক্ষণ ও প্রাত্যহিক মনিটরিং করার উপর জোর দেন।