মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার ও সাম্প্রদায়িক সহিংসতার নিরপেক্ষ তদন্ত চেয়ে সমাবেশ
অ্যাডভোকেট রানা দাশুপ্তের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা ও সংখ্যালঘু নেতৃবৃন্দের বিরুদ্ধে করা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে সমাবেশ ও প্রতিবাদ মিছিল করেছে বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ। একই সঙ্গে সারাদেশে সাম্প্রদায়িক সহিংসতার ঘটনাবলী জাতিসংঘের তত্ত্বাবধানে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।
শনিবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এ সমাবেশ হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি নিম চন্দ্র ভৌমিক।
সমাবেশে বক্তারা সংগঠনের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট রানা দাস গুপ্তসহ বিভিন্ন জেলায় নেতৃবৃন্দের বিরুদ্ধে হওয়া মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার এবং অনতিবিলম্বে সংখ্যালঘুদের ওপর হামলা, বাড়িঘর ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ বন্ধের দাবি জানান।
.png)
এছাড়া সমাবেশে বেশ কয়েকটি দাবি তুলে ধরেন তারা। দাবিগুলো হলো-
১। সংখ্যালঘু সুরক্ষা আইন প্রণয়ন।
২। জাতীয় সংখ্যালঘু কমিশন ও সংখ্যালঘু মন্ত্রণালয় গঠন।
৩। অর্পিত সম্পত্তি প্রত্যর্পণ আইনের যথাযথ প্রয়োগে যাবতীয় আমলাতান্ত্রিক বাধা অপসারণ করে ট্রাইব্যুনালের রায়ের আলোকে জমির মালিকানা ও দখল ভুক্তভোগীদের কাছে অনতিবিলম্বে প্রত্যর্পণ।
৪। জনসংখ্যার আনুপাতিক হারে সরকারে, সংসদে, জনপ্রতিনিধিত্বশীল সব সংস্থায় অংশীদারিত্ব ও প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করা।
৫। দেবোত্তর সম্পত্তি সংরক্ষণে আইন প্রণয়ন (এরই মধ্যে খসড়া বিল চূড়ান্ত হয়েছে)।
৬। বৈষম্য বিলোপ আইন প্রণয়ন (এরই মধ্যে খসড়া বিল চূড়ান্ত হয়েছে)।
৭। পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তির যথাযথ বাস্তবায়ন এবং তিন পার্বত্য জেলা পরিষদ আইন ও পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ আইনের যথাযথভাবে কার্যকর করা।
৮। হিন্দু সম্প্রদায়ের শারদীয় দুর্গাপূজায় অষ্টমী থেকে দশমী-এ ৩ দিন, বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের প্রবারণা পূর্ণিমায় ১ দিন ও খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের ইস্টার সানডেতে ১ দিন সরকারি ছুটি ঘোষণা।
এ সময় সংগঠনের সভাপতি নির্মল রোজারিও ও সংগঠনের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মনীন্দ্র কুমার নাথসহ অন্যান্য নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।