ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ রাজধানী ]

দেশব্যাপী বিক্ষোভ-সমাবেশের ডাক হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১৫:০৬, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৪
দেশব্যাপী বিক্ষোভ-সমাবেশের ডাক হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের
ছবি- ডেইলি বাংলাদেশ

আগামী ২১ সেপ্টেম্বর ঢাকাসহ সারাদেশে সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিলের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ।

বৃহস্পতিবার সকালে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে এক সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেয় সংগঠনটি। এসময় উপস্থিত ছিলেন ৪০ থেকে ৫০ জন।

এতে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি ড. নিমচন্দ্র ভৌমিক। এছাড়া সংগঠনের সভাপতি নির্মল রোজারিও, সংগঠনের সভাপতি মণ্ডলীর সদস্য এডভোকেট দিপংকর, ভিক্ষু সুনন্দপ্রিয় ও ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মনিন্দ্র কুমার নাথসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।

Advertisement

লিখিত বক্তব্যে নির্মল রোজারিও বলেন, গত ৪ আগষ্ট থেকে ২০ আগষ্ট বাংলাদেশে ২১০টি সাম্প্রদায়িক সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে। জাতিসংঘের মাধ্যমে এসব সহিংস ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানান তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের স্বার্থ ও অস্তিত্ব রক্ষায় ৮ দফা দাবি দিয়েছে সংগঠনটি-

১। সংখ্যালঘু সুরক্ষা আইন প্রণয়ন করা হউক।
২। জাতীয় সংখ্যালঘু কমিশন ও সংখ্যালঘু কমিশন গঠন করা হউক।
৩। অর্পিত সম্পত্তি প্রত্যর্পণ আইনের যথাযথ প্রয়োগে যাবতীয় আমলাতান্ত্রিক বাধা অপসারণ করে ট্রাইব্যুনালের রায়ের আলোতে জামির মালিকানা ও দখল ভূক্তভোগীদের বরাবরে অনতিবিলম্বে প্রত্যর্পণ করা হউক।
৪। জনসংখ্যার আনুপাতিক হারে সরকারে, সংসদে, জনপ্রতিনিধিত্বশীল সকল সংস্থায় অংশীদারিত্ব ও প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করা হউক।
৫। দেবোত্তর সম্পত্তি সংরক্ষণে আইন প্রণয়ন করা হউক।
৬। বৈষম্য বিলোপ আইন প্রণয়ন করা হউক।
৭। পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তির যথাযথ বাস্তবায়ন এবং তিন পার্বত্য জেলা পরিষদ আইন ও পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ আইনের যথাযথভাবে কার্যকর করা হউক।
৮। হিন্দু সম্প্রদায়ের শারদীয় দুর্গাপূজায় অষ্টমী থেকে দশমীতে ৩ দিন, বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের পুর্ণিমায় ১ দিন ও খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের ইস্টার সানডে'তে ১ দিন সরকারী ছুটি ঘোষণা করা হউক।

এছাড়া বৈষম্যহীন রাষ্ট্র ও সমাজ পুনর্গঠনে  প্রস্তাবনাও দিয়েছে সংগঠনটি। সেগুলো হলো-

১। ধর্মগ্রন্থ থেকে পাঠের ক্ষেত্রে বৈষম্য দূরীকরণ।
২‌।  সংবিধানে বিদ্যমান বৈষম্য দূরীকরণ। 
৩। ধর্মীয় শিক্ষায়তনের বৈষম্য দূরীকরণ। 
৪। ধর্মীয় বাজেটের বৈষম্য দূরীকরণ।
৫। সাম্প্রদায়িক উস্কানি ও কটুক্তির প্রতিকার বিধান।
৬। পাঠ্যপুস্তক ও শিক্ষা ব্যবস্থায়  অসাম্প্রদায়িকতাকে অগ্রাধিকার প্রদান।

ডেইলি-বাংলাদেশ/এআইএ
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!