জানা যায়, খোয়াজ উদ্দিন নামে এক ব্যক্তি এক নারীকে দ্বিতীয় বিয়ে করেন। ওই নারীর ষোড়শী একটি মেয়ে রয়েছে। সপ্তাহখানেক ধরে খোয়াজ উদ্দিন তার সৎ মেয়েকে জোরপূর্বক একাধিকবার ধর্ষণ করছেন বলে মেয়েটি স্বীকার করে। একই সঙ্গে জন্মনিরোধক ইনজেকশন ওই কিশোরীর শরীরে পুশ করা হয়। পরে বিষয়টি জানাজানি হলে এলাকাবাসী খোয়াজউদ্দিনকে আটক করে পুলিশে দেন।
ধর্ষণের ঘটনায় বৃহস্পতিবার অভিযুক্ত খোয়াজ উদ্দিনের বিরুদ্ধে মেয়ের মা বাদী হয়ে মাটিরাঙ্গা থানায় মামলা দায়ের করেন।
.png)
ভুক্তভোগীর মা জানান, ঘটনাটি টের পেয়ে নিরবে প্রতিবাদ করলে তিনি ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন। এই নরপিশাচের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।
মাটিরাঙ্গা থানার ওসি মোহাম্মদ আলী বলেন, এ ঘটনায় কিশোরীর জন্মদাতা মা মাটিরাঙ্গা থানায় মামলা দায়ের করেছেন। আসামিকে খাগড়াছড়ি কোর্টে প্রেরণ করার প্রস্তুুতি চলছে।