বাঁধটি হঠাৎ ভেঙে যাওয়ায় জনজীবনসহ ক্ষেতখামার ও স্থাপনার ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
সরেজমিন দেখা যায়, রুমা উপজেলা সদর রুমা- বগালেক রাস্তায় সাত কিলোমিটার যাওয়ার পর পায়ে হেঁটে রুমাখালের দূরত্ব দুই কিলোমিটার। সেখানে ক্রাইখ্যং নামক এ স্থানটি। এ ক্রাইখ্যং মুখের একটু ওপরে পাহাড় ধসের বাঁধটির অবস্থান।
.png)
বাঁধের পার্শ্ববতীর এলাকায় বসবাসরত কয়েকজন নারী বলছেন, গত সোমবার (৭ আগস্ট) ভোরের দিকে বিকট শব্দে শুনা যায়। সকালে দেখেন, বিশাল জায়গার জুড়ে পাহাড় ধসে নেমে রুমা খালে নেমেছে মাটি। এতে স্বল্প সময়ে খালের উজানে পানি বাড়তে থাকে। এ বাঁধ ভেঙে পানি নামার সময় খালের দেবী মাথা নেবে, তাই খালের দেবী নিয়ে আলোচনা করা কিংবা তাদের নাম বলতে মানা। কল্প কাহিনি জানতে চাইলে আমরা ভয় করি, এসব কথা বলে মুখ ফিরিয়ে নেন এসব নারীরা।
রুমা সদর ইউপির ৩ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য জনমনি ত্রিপুরা বলেন, পাহাড় ধসে রুমাখালের কৃত্রিম বাঁধ তৈরি হওয়ায় উজানের দিকে পানি বেড়ে চলেছে। ফলে ভাগ্যমনি পাড়াসহ কয়েকটি এলাকার লোকজন বাজারে আসা- যাওয়া করতে পারছেন না।
তিনি আরো বলেন, প্রবল বর্ষণে বন্যার পানি অন্যান্য স্থানে নেমে গেলেও ক্রাইখ্যং মুখ বাঁধের পানি বাড়ছে। এজন্য কয়েকটি পাড়ার লোকজন পানিবন্দী অবস্থায় রয়েছেন।
ইউএনও সৈয়দ মাহবুবুর হক বলেন, বৃষ্টিতে পাহাড় ধসে ওইখালে বাঁধ তৈরি হওয়ার বিষয়টি ফায়ার সার্ভিসের মাধ্যমে কি সমাধান করা যায় তা দেখে ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।
তাছাড়া এলাকার সচেতন ব্যক্তি ও স্থানীয় যুবকদের নিয়ে কি উদ্যোগ নেয়া যায়, তাও ভেবে দেখতে সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি আহবান জানান ইউএনও।