বৃহস্পতিবার ১৮ ও শুক্রবার একজন আক্রান্ত হয়েছেন। আক্রান্তদের মধ্যে ১৭ জন তিনদিন আগে ভারত থেকে এসেছেন বলে জানা গেছে।
স্বাস্থ্য বিভাগ জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার কক্সবাজারে ৪৬৯টি স্যাম্পলের মধ্যে ২৮ জনের করোনা শনাক্ত হয়। ২৮ জনের মধ্যে মহেশখালীর ছিল ২৩ জন। মহেশখালীতে শনাক্ত হওয়া ওই ২৩ জনই মাতারবাড়িতে নির্মাণাধীন কয়লাবিদ্যুৎ কেন্দ্রের কর্মকর্তা। এর মধ্যে ২২ জন বিদেশি।
.png)
এছাড়াও শুক্রবার ৫৭৫টি স্যাম্পলের মধ্যে জেলায় করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ১৬ জন। তার মধ্যে ৮ জন মাতারবাড়ি কয়লাবিদ্যুৎ কেন্দ্রে কর্মরত। তাদের মধ্যে একজন ভারতীয় নাগরিক। গেল দুইদিনে মাতারবাড়িতে আক্রান্ত ৩১ জনের মধ্যে ১৯ জনই ভারতীয় নাগরিক।
আরো পড়ুন: আবারো দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা পঞ্চগড়ে
মহেশখালী উপজেলার স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মাহফুজুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, আক্রান্তদের শরীরে ওমিক্রন ধরন রয়েছে কিনা তা নিশ্চিত করা যায়নি। কারণ কক্সবাজারে ওমিক্রন শনাক্তকরণের সক্ষমতা নেই।
বিষয়টি নিশ্চিত করে কক্সবাজার মেডিকেল কলেজের সহকারী অধ্যাপক, ক্লিনিক্যাল ট্রপিক্যাল মেডিসিন ও সংক্রামক রোগ বিশেষজ্ঞ ডা. মোহাম্মদ শাহজাহান নাজির বলেন, ওমিক্রনের জিন আলাদা হওয়ায় জেনেটিক জিন অ্যানালাইসিস করতে হবে। জেনেটিক জিন অ্যানালাইসিস আপাতত ঢাকায় হচ্ছে। জেলাপর্যায়ে শুধুমাত্র সাধারণ করোনা রোগী শনাক্ত করা হচ্ছে।
জানা গেছে, আক্রান্তরা সবাই মাতারবাড়িতে কোয়ারান্টাইনে রয়েছেন। এছাড়াও একইদিন কক্সবাজার সদরের পাঁচজন আক্রান্ত হয়েছেন।