তিনি জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়, বিআইটিআইডি, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ, চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও এনিম্যাল সাইন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়, এন্টিজেন টেস্ট, ইমপেরিয়াল হাসপাতাল, শেভরন ল্যাব, চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতাল, আরটিএল, মেডিকেল সেন্টার হাসপাতাল, ইপিক হেলথ কেয়ার, ল্যাব এইড, চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন হাসপাতাল ও এশিয়ান স্পেশালাইজড হাসপাতালে তিন হাজার ৬৫০ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। এর মধ্যে এক হাজার ১৬৭ জনের শরীরে করোনাভাইরাসের অস্তিত্ব পাওয়া গেছে।
পরীক্ষা অনুযায়ী শনাক্তের হার ৩১ দশমিক ৯৭ শতাংশ। যা আগের ২৪ ঘণ্টায় ছিল ৩৫ দশমিক ৬৭ শতাংশ। আক্রান্তদের মধ্যে নগরীর ৮৮৭ জন, হাটহাজারীর ৫৩ জন, রাউজানের ৪০ জন, ফটিকছড়ির ৩২ জন, আনোয়ারার ২৪ জন, রাঙ্গুনিয়ার ২৪ জন, পটিয়ার ১৮ জন, বোয়ালখালীর ১৬ জন, মিরসরাইয়ের ১৬ জন, চন্দনাইশের ১২ জন, সীতাকুণ্ডের ১১ জন লোহাগাড়ার ১০ জন, বাঁশখালীর ১০ জন, সন্দ্বীপের আটজন, সাতকানিয়ার পাঁচজন ও কর্ণফুলীর একজন রয়েছেন।
.png)
এর আগে, বৃহস্পতিবার ১১২১, বুধবার ১৪৫৫, মঙ্গলবার ১৩৪৮, সোমবার ৯৮৯, রোববার ১০২৬ ও শনিবার ৭০৪ জনের করোনা শনাক্তের খবর জানিয়েছিল চট্টগ্রাম সিভিল সার্জন কার্যালয়।
সিভিল সার্জন কার্যালয়ের তথ্যমতে, নগরীতে ৮৫ হাজার ৫২৪ জন ও উপজেলা পর্যায়ে ৩১ হাজার ৬৭৯ জন নিয়ে চট্টগ্রাম জেলায় এ পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন এক লাখ ১৭ হাজার ২০৩ জন। এছাড়া মারা গেছেন এক হাজার ৩৫৪ জন। এর মধ্যে নগরীর ৭৩০ জন ও উপজেলার ৬২৪ জন রয়েছেন।
২০২০ সালের ৩ এপ্রিল চট্টগ্রামে প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হয় এবং প্রথম মৃত্যু হয় ৯ এপ্রিল।