তিনি জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়, বিআইটিআইডি, চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও এনিম্যাল সাইন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়, এন্টিজেন টেস্ট, ইমপেরিয়াল হাসপাতাল, শেভরন ল্যাব, চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতাল, মেডিকেল সেন্টার হাসপাতাল, ইপিক হেলথ কেয়ার ও এশিয়ান স্পেশালাইজড হাসপাতালে তিন হাজার ১৯০ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। এর মধ্যে ৫৩৯ জনের শরীরে করোনাভাইরাসের অস্তিত্ব পাওয়া গেছে।
পরীক্ষা অনুযায়ী শনাক্তের হার ১৬ দশমিক ৮৯ শতাংশ। যা আগের ২৪ ঘণ্টায় ছিল ১৮ দশমিক ৮৮ শতাংশ। আক্রান্তদের মধ্যে নগরীর ৩৪৪ জন, মিরসরাইয়ের ৩১ জন, ফটিকছড়ির ২৯ জন, হাটহাজারীর ২১ জন, সাতকানিয়ার ১৯ জন, রাউজানের ১৭ জন, বোয়ালখালীর ১৪ জন, পটিয়ার ১১ জন, সীতাকুণ্ডের নয়জন, বাঁশখালীর আটজন, রাঙ্গুনিয়ার আটজন, আনোয়ারার আটজন, চন্দনাইশের আটজন, লোহাগাড়ার সাতজন ও সন্দ্বীপের পাঁচজন রয়েছেন।
.png)
এর আগে, বৃহস্পতিবার ৫৮০, বুধবার ৫৪৯, মঙ্গলবার ৭২৯, সোমবার ৫৮৭, রোববার ১১১৫ ও শনিবার ৮০৯ জনের করোনা শনাক্তের খবর জানিয়েছিল সিভিল সার্জন কার্যালয়।
সিভিল সার্জন কার্যালয়ের তথ্যমতে, নগরীতে ৮৮ হাজার ৯৪৫ জন ও উপজেলা পর্যায়ে ৩৩ হাজার ১৬৬ জন নিয়ে চট্টগ্রাম জেলায় এ পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন এক লাখ ২২ হাজার ১১১ জন। এছাড়া মারা গেছেন এক হাজার ৩৫৯ জন। এর মধ্যে নগরীর ৭৩৪ জন ও উপজেলার ৬২৫ জন রয়েছেন।
২০২০ সালের ৩ এপ্রিল চট্টগ্রামে প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হয়। এরপর ৯ এপ্রিল ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হয়ে প্রথম কোনো ব্যক্তির মৃত্যু হয়।