ব্যবসায়ীরা বলছেন, আমদানি বেশি হওয়ায় পেঁয়াজের বাজার এখন নিম্নমুখী। অন্যদিকে প্রতি কেজি ছোলায় বেড়েছে ৫ টাকা, চিনিতে ৪ টাকা ও প্রকারভেদে রসুনে বেড়েছে ২০ থেকে ৩০ টাকা। এসব পণ্যের দাম বাড়ার কারণে বিপাকে পড়েছেন ক্রেতারা। তবে তাদের দাবি নিয়মিত বাজার মনিটরিং করলে কমে আসবে এসব পণ্যের দাম।
ক্রেতা গোলাম রসুল বলেন, দুইদিন আগে হিলি বাজারে প্রতি কেজি ছোলা ৭০ টাকা দরে বিক্রি হলেও কেজিতে ৫ টাকা বেড়ে তা বিক্রি হচ্ছে ৭৫ টাকায়। একইভাবে যে রসুন বাজারে ৪০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছে তা এখন বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৭০ টাকায়। এর সঙ্গে চিনির দাম ৪৮ টাকা কেজি থেকে ৪ টাকা বেড়ে ৫২ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
.png)
তবে স্বাভাবিক রয়েছে ভারত থেকে আমদানিকৃত পেয়াঁজের দাম। হিলি বাজারের পাইকারি পেঁয়াজ ব্যবসায়ী রেজাউল করিম গামা বলেন, দুইদিন আগে প্রতি কেজি পেঁয়াজ ১৪ থেকে ১৫ টাকায় বিক্রি হলেও সোমবার প্রতি কেজি পেয়াঁজ বিক্রি হচ্ছে ১০ থেকে ১১ টাকা দরে।
হিলি স্থলবন্দর আমাদানিকারক গ্রুপের সাধারণ সম্পাদক মোস্তাক হোসেন বলেন, একমাস আগেও ১৫০ থেকে ১৭৫ ডলারে পেঁয়াজ আমদানি হয়েছে। ডলারমূল্য না কমলেও আমদানি বেড়ে যাওয়ায় বাংলাদেশের বাজারে পেঁয়াজের দাম কমেছে। প্রতি কেজি পেঁয়াজ পাইকারী বিক্রি হচ্ছে ৮ টাকা থেকে ৯ টাকা কেজি দরে। এতে আমদানিকারকদের লোকসান গুনতে হচ্ছে।
পানামা হিলি পোর্ট লি. এর গণসংযোগ কর্মকর্তা সোহরাব হোসেন মল্লিক বলেন, ছয়দিনে এই বন্দর দিয়ে ১৮৮টি ভারতীয় ট্রাকে চার হাজার আটশ মেট্রিক টন পেয়াঁজ ভারত থেকে আমদানি হয়েছে।
ডেইলি বাংলাদেশ/জেএস