বৃহস্পতিবার দুপুরে শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে রিফাতের গ্রামের বাড়ির পথে রওনা দেয় মরদেহবাহী অ্যাম্বুলেন্সটি।
এ সময় মরদেহের সঙ্গে ছিলেন রিফাতের বন্ধু মঞ্জুরুল আলম জন। তিনি বলেন, রিফাতের স্বজন, বন্ধু, স্থানীয়দের মরদেহ দেখিয়ে আসরের পর জানাজা ও দাফন করা হবে।
.png)
শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সার্জারি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক জামিল হোসেন বলেন, রিফাতের গলায়, মাথায়, বুকে তিনটি বড় ক্ষত রয়েছে। গলার রগ কেটে প্রচুর রক্তক্ষরণে তার মৃত্যু হয়েছে। ভারী অস্ত্র দিয়ে দুই হাতে কোপানো হয়েছে। সারা শরীরে সাত থেকে আটটি বড় ক্ষত রয়েছে। এসব ক্ষত থেকে প্রচুর রক্তক্ষরণ হয়ে রিফাত মারা যায়।
এর আগে, হাসপাতাল থেকে মরদেহ আনতে গিয়ে তোপের মুখে পড়েছেন নিহত রিফাতের শ্বশুর মোজ্জাম্মেল হোসেন। এ সময় তাকে তাড়িয়ে দেয় রিফাতের বন্ধুরা।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মোজ্জাম্মেল হোসেন হাসপাতালে আসতেই সাংবাদিকরা তাকে ঘিরে ধরেন। তখন তিনি জানান, তার মেয়ের সঙ্গে খুনিদের পরিচয় ছিল না। তারা মিন্নিকে উত্ত্যক্ত করতো। জামাই এ ঘটনার প্রতিবাদ করায় তাকে খুন করা হয়েছে। এ সময় রিফাতের বন্ধুরা মোজ্জাম্মেল হোসেনকে মিথ্যাবাদী বলে তার ওপর চড়াও হন। তখন তারা মোজাম্মেল হোসেনকে তাড়িয়ে দেন।
বুধবার সকালে বরগুনা সরকারি কলেজের সামনে প্রকাশ্যে রিফাতকে কুপিয়ে হত্যা করে নয়ন বন্ড ও তার সহযোগীরা। রিফাতকে প্রথমে বরগুনা সদর হাসপাতাল ও পরে বরিশাল শেরে-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আনা হয়। সেখানে বিকেলে তার মৃত্যু হয়। এ হত্যাকাণ্ডের সিসিটিভি ফুটেজ ফেসবুকে ভাইরাল হয়। এ ঘটনায় পুলিশ একজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
ডেইলি বাংলাদেশ/এআর