তবে এবার সব প্রতিষ্ঠান থেকেই উত্তীর্ণ হয়েছে শিক্ষার্থীরা। অর্থাৎ সবাই ফেল করা প্রতিষ্ঠান (পাসের হার শূন্য) নেই একটিও। গত বছর এই সংখ্যা ছিল দুটি।
যশোর শিক্ষাবোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর মাধব চন্দ্র রুদ্র জানান, সব প্রতিষ্ঠানই আন্তরিক হওয়ায় এবার আর শূন্যভাগ পাসের হারের প্রতিষ্ঠান নেই।
.png)
ডেইলি বাংলাদেশ/আরএম