স্ত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার, স্বামী আটক
কিশোরগঞ্জের ভৈরবে চৈতি বেগম নামে এক গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার সকালে শহরের পঞ্চবটি এলাকা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়েছে।
এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ নিহতের স্বামী সাগর মিয়াকে আটক করেছে।
নিহতের বাবা হেলাল মিয়া জানান, আট মাস আগে অটোরিকশা চালক সাগরের সঙ্গে চৈতির পারিবারিকভাবে বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই তাদের দাম্পত্য জীবনে পারিবারিক কলহ লেগেই থাকতো। বিভিন্ন অজুহাতে সাগর চৈতিকে মারধর করতো।
.png)
মঙ্গলবার রাতেও চৈতিকে মারধর করে সাগর। পরে সকালে ঘরের আঁড়ার সঙ্গে মেয়ের ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পান তিনি।
তার দাবি, মেয়ে আত্মহত্যা করেনি। সাগর তাকে হত্যার পর মরদেহ ঝুলিয়ে রেখেছে। তিনি মেয়ে হত্যার অভিযোগে সাগরের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেন।
এদিকে আটক সাগর স্ত্রী হত্যার অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, রাতে তার ও চৈতির মাঝে ঝগড়া হয়। তাকে হত্যা করেননি।
সাগরের দাবি, অভিমান ও রাগে চৈতি আত্মহত্যা করেছে। তাছাড়া খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন ভৈরব সার্কেলের এএসপি রেজোয়ান আহমেদ দীপু।
তিনি সাংবাদিকদের জানান, ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ কিশোরগঞ্জ সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হচ্ছে । ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে পেলে এটি হত্যা না আত্মহত্যা তা জানা যাবে।